সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা হত্যায় মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশের রিভিউ খারিজ|110360|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৭ অক্টোবর, ২০১৮ ১৪:১৪
সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা হত্যায় মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশের রিভিউ খারিজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা হত্যায় মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশের রিভিউ খারিজ

ফাইল ছবি

ঢাকাস্থ সৌদি আরবের দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম মামুনের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। এতে মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশসহ অন্য আসামিদের সাজাও বহাল থাকলো।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ রোববার এই আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কাজী আকতার হামিদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আপিলেও বহাল রেখে গত বছর ১ নভেম্বর রায় দেয় আপিল বিভাগ। রায়ে খালাফ আল আলীকে হত্যার দায়ে মামুনের মৃত্যুদণ্ডসহ হাইকোর্টের পুরো রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

ফলে অন্য তিন আসামি- আল আমিন, আকবর আলী লালু ওরফে রনি ও রফিকুল ইসলাম খোকনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রয়েছে। পাঁচ আসামির মধ্যে অপরজন পলাতক সেলিম চৌধুরী ওরফে সেলিম আহমেদকে হাইকোর্টের মতো আপিল বিভাগও বেকসুর খালাস দিয়েছে।

তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বে তিন বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ বিষয়টি নিয়ে আপিলে দু’দফা শুনানি নেয়ার পর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের মোট চারটি আপিল নিস্পত্তি করে রায় দেয়।

পরে সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদন্ডের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করা হয়। এর ওপর গত বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আজ আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর এ মামলার রায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় দেয়। আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি করে হাইকোর্ট ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে খালাস দিয়ে রায় দেয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৫ মার্চ মধ্যরাতে গুলশানে নিজের বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলী (৪৫)। পরদিন ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় পাঁচ আসামিকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। সেলিম চৌধুরী ছাড়া অপর চার আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।