ভোট ২৩ ডিসেম্বর|110564|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৮ নভেম্বর, ২০১৮ ২০:৪৩
ভোট ২৩ ডিসেম্বর
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোট ২৩ ডিসেম্বর

জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করছেন সিইসি কে এম নুরুল হুদা। ছবি: পিআইডি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ২৩ ডিসেম্বর রোববার অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর, যাচাই-বাছাই ২২ নভেম্বর আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৩ দফা (৩) উপ-দফা (ক)-এর বরাতে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান সিইসি।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বাম জোটের আপত্তি উপেক্ষা করে তফসিল ঘোষণা করল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। এই জোটের পক্ষ থেকে সংলাপের ফলাফল দেখে তফসিল ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছিল। তফসিল ঘোষণা করা হলে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রারও হুমকি দিয়ে রেখেছে ঐক্যফ্রন্ট।

অবশ্য ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, ক্ষমতাসীন জোটের শরিক ও সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবং ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিকল্পধারা বাংলাদেশ তফসিল ঘোষণায় বিলম্ব না করার আহ্বান জানিয়েছিল।

ভাষণে সিইসি বলেন, ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্র বাছাইয়ের কাজ শেষ। এছাড়া নির্বাচন পরিচালনার জন্য সাত লাখ কর্মকর্তা নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

নির্বাচনী নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় লক্ষাধিক সদস্য মোতায়েন থাকবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামরিক প্রশাসনকে ‘যথা-প্রয়োজনীয় সহায়তা’ প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

নির্বাচনে শহর এলাকায় সীমিত আকারে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে বলে সিইসি তার ভাষণে উল্লেখ করেন। তবে বিরোধী দলগুলো শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিল।

ভাষণে সিইসি সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান। নিজেদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে মতানৈক্য বা মতবিরোধ থেকে থাকলে রাজনৈতিকভাবে তা মীমাংসার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।