আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা কে কোন পেশায়|110822|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৯ নভেম্বর, ২০১৮ ১৬:৫২
আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা কে কোন পেশায়
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা কে কোন পেশায়

একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া ২৩০ জনের সবাই রাজনীতিক নন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামা থেকে জানা গেছে, মনোনয়ন পাওয়াদের মধ্যে ৭২ জন নিজেদের রাজনীতিক বলে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি এদের ব্যবসা থাকলেও তা উল্লেখ করেননি। বাকিরা সবাই বিভিন্ন পেশায় জড়িত বলে উল্লেখ করেছেন।

হলফনামায় দেখা গেছে, মনোনয়ন পাওয়াদের ৮৬ জন ব্যবসায়ী, ৯ জন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, ৬ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তা, দুইজন পুলিশের সাবেক আইজি ছিলেন, ১১ জন ডাক্তার, ২৬ জন আইনজীবী, ১০ জন সাবেক শিক্ষক ও তিনজন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া একজন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, তিনজন তারকা, একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার রয়েছেন। হলফনামা ছাড়াও বেশ কয়েকজনের তথ্য নেওয়া হয়েছে স্থানীয় পর্যায়ে যোগাযোগ করে।

পঞ্চগড়-২ আসনে তৃতীয়বারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম সুজনের পেশা কৃষি ও আইনজীবী। পঞ্চগড়-১ আসনে মনোনয়ন পাওয়া মাজহারুল হক প্রধান জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি রাজনীতিক বলেই পরিচিত। ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে টানা চতুর্থবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন দলের সভাপতিম-লীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন। তার পেশা ব্যবসা।

ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দবিরুল ইসলাম। তার পেশা কৃষি ও ব্যবসা। দিনাজপুর-১ আসনের প্রার্থী মনোরঞ্জন শীল গোপাল টানা তৃতীয়বারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন। আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার আগে তিনি জাতীয় পার্টি করতেন। তিনি সংবাদপত্রের ব্যবসা রয়েছে উল্লেখ করেছেন।

দিনাজপুর-২ আসনে টানা তৃতীয়বার মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি রাজনীতিক। দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী। দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য  ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচএম মাহমুদ আলী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। দিনাজপুর-৫ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। পাশাপাশি তিনি কৃষিভিত্তিক ব্যবসা করেন। দিনাজপুর-৬ আসনের শিবলী সাদিক ব্যবসার পাশাপাশি রাজনীতি করেন।

তৃণমুলের নেতা আফতাব উদ্দিন সরকার নীলফামারী-১ থেকে আবারো মনোনয়ন পেয়েছেন; তিনি ব্যবসা করেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর নীলফামারী-২ আসনে পুনরায় মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটির ভাইস চেয়ারম্যানের পাশাপাশি দেশ টিভির পরিচালক।

লালমনিরহাট-১ আসনের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন এক সময় শিক্ষকতা করতেন। লালমনিরহাট-২ আসনের নুরুজ্জামান আহমেদ রাজনীতিক। রংপুর-২ আসনের আবুল কালাম মো. আহসানুল হক ব্যবসায়ী। রংপুর-৪ আসনের টিপু মুনশি শিল্পপতি। রংপুর-৫ আসনের এইচ এন আশিকুর রহমান ব্যবসায়ী। কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাকির হোসেন রাজনীতিক। গাইবান্ধা-২ এর মাহাবুব আরা বেগম গিনি পেশায় ব্যবসায়ী। গাইবান্ধা-৩ আসনের ইউনুস আলী সরকার পেশায় ডাক্তার। গাইবান্ধা-৫ আসনের ফজলে রাব্বী মিয়া পেশায় আইনজীবী।

জয়পুরহাট-১ আসনের সামছুল আলম দুদু রাজনীতির পাশাপাশি গরুর খামার, মৎস্য চাষ ও স্টক বিজনেস করেন। জয়পুরহাট-২ আসনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ব্যবসা করেন। বগুড়া-১ আসনে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। বগুড়া-৫ আসনের হাবিবর রহমান অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পাওয়া সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল পেশায় চিকিৎসক। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জিয়াউর রহমান রাজনীতিক। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ ব্যবসা করেন।

নওগাঁ-১ এর সাধন চন্দ্র মজুমদারে পেশা ব্যবসা ও কৃষি। নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার পেশায় আইনজীবী। নওগাঁ-৩ আসনের ছলিমউদ্দিন তরফদার রাজনীতি করেন। নওগাঁ-৪ আসনের পাঁচবারের সংসদ সদস্য ইমাজউদ্দিন প্রামানিক রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। নওগাঁ-৫ আসনে মনোনীত প্রার্থী নিজাম উদ্দিন জলিল জন পেশায় আইনজীবী। নওগাঁ-৬ এর সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম পেশায় ব্যবসায়ী। রাজশাহী-১ আসনের ওমর ফারুক চৌধুরী খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ব্যবসার পাশাপাশি একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মালিক। রাজশাহী-৩ আসনের আয়েন উদ্দিন রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। রাজশাহী-৪ আসনের এনামুল হক আবাসন ব্যবসায়ী। রাজশাহী-৫ আসনে মনসুর রহমান পেশায় চিকিৎসক। রাজশাহী-৬ আসনের মনোনীত প্রার্থী শাহরিয়ার আলম পেশায় ব্যবসায়ী।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজনীতিক শহীদুল ইসলাম বকুল নাটোর-১ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। নাটোর-২ আসনের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ও সরবরাহকারী। নাটোর-৩ আসনের প্রার্থী তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহম্মেদ পলক আইন পেশায় জড়িত। নাটোর-৪ এর প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শিক্ষকতা করতেন।

সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য। সিরাজগঞ্জ-২ আসনের হাবিবে মিল্লাত পেশায় চিকিৎসক। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের আবদুল আজিজও পেশায় চিকিৎসক। সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম সামাজিক কার্যক্রম করেন। সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের আব্দুল মমিন ম-ল বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুল মজিদ ম-লের ছেলে। তিনি ম-ল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের হাসিবুর রহমান খান স্বপন পেশায় ব্যবসায়ী।

পাবনা-১ আসনের শামসুল হক টুকু আইন পেশায় জড়িত। পাবনা-২ আহমেদ ফিরোজ কবির সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। পাবনা-৩ আসনের প্রার্থী মকবুল হোসেনের পেশা কৃষি। পাবনা-৪ আসনের শামসুর রহমান শরীফ ডিলু রাজনীতি করেন। পাবনা-৫ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স রাজনীতিক। মেহেরপুর-১ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন দোদুল রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষকতা করতেন। মেহেরপুর-২ আসনে গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সহিদুজ্জামান খোকন রাজনীতিক। কুষ্টিয়া-১ আসনের আকম সারোয়ার জাহান ছাত্রনেতা ছিলেন। কুষ্টিয়া-৩ আসনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ব্যবসা করেন। কুষ্টিয়া-৪ সেলিম আলতাফ জর্জ আইন পেশায় জড়িত।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন ব্যবসা করেন। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের আলী আসগর টগর ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং ব্যবসা করেন। ঝিনাইদহ-১ আসনের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। ঝিনাইদহ-২ আসনের তাহজীব আলম সিদ্দিকী ব্যবসা করেন। ঝিনাইদহ-৩ আসনের শফিকুল আজম খান চঞ্চল রাজনীতিক। ঝিনাইদহ-৪ আসনের আনোয়ারুল আজীম আনার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

যশোর-১ আসনের শেখ আফিল উদ্দিন পোল্ট্রি ফার্ম, মুদ্রণ ও কাগজ মিলের ব্যবসা করেন। যশোর-২ আসনে নাসির উদ্দিন সাবেক সেনা কর্মকর্তা। যশোর-৩ আসনের কাজী নাবিল আহমেদ ব্যবসায়ী। যশোর ৪ ও ৫ আসনের রনজিত কুমার রায় ও স্বপন ভট্টাচার্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। যশোর-৬ আসনের ইসমাত আরা সাদেক সামাজিক কাজ করেন। মাগুরা-১ আসনে ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুজ্জামান শিখর প্রধানমন্ত্রী এপিএস। মাগুরা-২ আসনের বীরেন শিকদার আইন পেশায় জড়িত।

নড়াইল-১ আসনে কবিরুল হক মুক্তি মৎস্য ব্যবসায়ী। নড়াইল-২ আসনে জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক (অধিনায়ক) মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। বাগেরহাট-১ আসনের শেখ হেলাল উদ্দিন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বাগেরহাট-২ শেখ সারহান নাসের তন্ময় ও বাগেরহাট-৩ আসনের হাবিবুন নাহার রাজনীতিক। বাগেরহাট ৪ আসনের মোজাম্মেল হোসেন চিকিৎসা পেশায় জড়িত। খুলনা-১ আসনের পঞ্চানন বিশ্বাসের পেশা ব্যবসা ও মৎস্য চাষ। খুলনা-২ আসনের শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল ও খুলনা-৩ আসনে বেগম মন্নুজান সুফিয়ান রাজনীতিক। খুলনা-৪ আসনের  আব্দুস সালাম মুর্শেদী এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। খুলনা-৫ আসনের নারায়াণ চন্দ্র চন্দ শিক্ষক নেতা ছিলেন, এখন তিনি পোল্ট্রি ফার্মের ব্যবসা করেন। খুলনা-৬ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আকতারুজ্জামান বাবু রাজনীতিক। সাতক্ষীরা-২ আসনের মীর মোশতাক আহমেদ রবি ব্যবসায়ী। সাতক্ষীরা-৩ আসনের আফম রুহুল হক চিকিৎসক। সাতক্ষীরা-৪ আসনে জগলুল হায়দার ব্যবসা করেন।

বরগুনা-১ আসনের ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু আইনজীবী, জাহাঙ্গীর কবির জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বরগুনা-২ আসনের শওকত হাচানুর রহমান রিমন ব্যবসায়ী। পটুয়াখালী-১ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান মিয়া রাজনীতিক। পটুয়াখালী-২ আসনের আ স ম ফিরোজ জুট স্পিনিং মিলস পরিচালনা করেন, খোন্দকার শামসুল হক রেজা রাজনীতিক। পটুয়াখালী-৩ আসনে এস এম শাহাজাদা ব্যবসা করেন। পটুয়াখালী-৪  আসনের মুহিবুর রহমান মুহিব শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত।

ভোলা-১ আসনে তোফায়েল আহমেদ ও ভোলা-২ আসনে আলী আজম মুকুল রাজনীতিক। ভোলা-৩ আসনের নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন আবাসন ব্যবসা করেন। ভোলা-৪ আসনে আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব রাজনীতি পাশাপাশি ব্যবসা করেন। বরিশাল-১ আসনের আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ ব্যবসা করেন, বরিশাল-২ আসনে তালুকদার মো. ইউনুস আইনজীবী। বরিশাল-৪ আসনের পঙ্কজ নাথ ব্যবসা করেন। বরিশাল-৫ আসনে জেবুন্নেছা আফরোজ অথবা জাহিদ ফারুক শামীম নৌকা প্রতীক পাবেন। জাহিদ ফারুক সাবেক সেনা কর্মকর্তা।

ঝালকাঠি-১ আসনে বজলুল হক হারুন ব্যবসায়ী। ঝালকাঠি-২ আসনে আমির হোসেন আমু আইন পেশার পাশাপাশি ব্যবসা করেন। পিরোজপুর-১ আসনে শ ম রেজাউল করিম আইনজীবী। টাঙ্গাইল-১ আসনে দলের সভাপতিম-লীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। টাঙ্গাইল-২ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক তানভীর হাসান (ছোট মনির) রাজনীতিক। টাঙ্গাইল-৩ এ প্রার্থী সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আতাউর রহমান খান। টাঙ্গাইল-৪ মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁন রাজনীতিক। টাঙ্গাইল-৫ আসনের ছানোয়ার হোসেন ব্যবসা করেন। টাঙ্গাইল-৬ আসনের আহসানুল ইসলাম টিটু ব্যবসায়ী। টাঙ্গাইল-৭ আসনের একাববর হোসেন রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। টাঙ্গাইল-৮ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ জোয়াহেরুল ইসলাম আইন পেশায় জড়িত।

জামালপুর-১ আসনে সাবেক তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ অথবা নুর মোহাম্মদ নৌকা প্রতীকে লড়বেন। আবুল কালাম আজাদ আইন পেশার পাশাপাশি ব্যবসা করেন। জামালপুর-২ আসনের ফরিদুল হক খান দুলাল পাট ব্যবসায়ী। জামালপুর-৩ আসনের মির্জা আজম রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। জামালপুর-৪ আসনের মুরাদ হাসান চিকিৎসক। জামালপুর-৫ আসনের দুই প্রার্থী মোজাফফর হোসেন ইঞ্জিনিয়ার ও রেজাউল করিম হীরা রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন।

শেরপুর-১ ও ২ আসনে আতিউর রহমান আতিক ও মতিয়া চৌধুরী রাজনীতিক। শেরপুর-৩ আসনের এ কে এম ফজলুল হক ব্যবসায়ী। ময়মনসিংহ-১ আসনের জুয়েল আরেং ব্যবসা করেন। ময়মনসিংহ-২ আসনের শরীফ আহম্মেদ ব্যবসা করেন। ময়মনসিংহ-৩ আসনে নাজিম উদ্দিন আহমেদ রাজনীতিক। ময়মনসিংহ-৬ আসনের মোসলেম উদ্দিন আইনজীবী। ময়মনসিংহ-৭ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী, ময়মনসিংহ-৯ আসনে আনোয়ারুল আবেদীন খান তুুহিন, ময়মনসিংহ-১০ আসনে ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল ও ময়মনসিংহ-১১ আসনে তাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু রাজনীতিক।

নেত্রকোণা-১ আসনের মানু মজুমদার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, নেত্রকোণা-২ আসনের আশরাফ আলী খান খসরু সাবেক সংসদ সদস্য, নেত্রকোণা-৩ আসনের অসীম কুমার উকিল আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোণা-৪ আসনে রেবেকা মমিন রাজনীতিক। নেত্রকোণা-৫ আসনের ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন।

কিশোরগঞ্জ-১ আসনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম অথবা মশিউর রহমান হুমায়ুন নৌকা প্রতীকে লড়বেন। মশিউর রহমান হুমায়ুন কৃষিবিদ। কিশোরগঞ্জ-২ আসনের নূর মোহাম্মদ পুলিশের সাবেক আইজি। কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের রেজোয়ান আহাম্মেদ তৌফিক ব্যবসা করেন। কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন ব্যবসায়ী। কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের নাজমুল হাসান পাপন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

মানিকগঞ্জ-১ আসনের এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক, বর্তমানে ব্যবসা করেন। মানিকগঞ্জ-২ আসনের মমতাজ বেগম পেশা সংগীত শিল্পী। মানিকগঞ্জ-৩ আসনের জাহিদ মালেক স্বপন জীবন বীমা, অ্যালুমিনিয়াম ও আবাসন ব্যবসা করেন। মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। মুন্সিগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস আইন পেশায় জড়িত।

ঢাকা-১ আসনের সালমান এফ রহমান ব্যবসায়ী। ঢাকা-২ আসনের কামরুল ইসলাম আইনজীবী। ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু আবাসন ব্যবসায়ী। ঢাকা-৫ আসনে হাবিবুর রহমান মোল্লা অথবা কাজী মনিরুল ইসলাম মনু নৌকা প্রতীক পাবেন। হাবিবুর রহমান ব্যবসা করেন। ঢাকা-৭ আসনে হাজী সেলিম অথবা আবুল হাসনাত নৌকা প্রতীক পাবেন। দুইজনেই ব্যবসা করেন। ঢাকা-৯ আসনের সাবের হোসেন চৌধুরী ব্যবসায়ী। ঢাকা-১০ আসনের শেখ ফজলে নূর তাপস আইনজীবী। ঢাকা-১১ আসনের এ কে এম রহমতুল্লাহ চামড়া ও জুতা রপ্তানি করেন। ঢাকা-১২ আসনের আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সিরামিক শিল্পের ব্যবসা করেন, ঢাকা-১৩ আসনের সাদেক খান রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। ঢাকা ১৩, ১৪ ও ১৫ আসনের আসলামুল হক, কামাল আহমেদ মজুমদার এবং ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ ব্যবসা করেন। ঢাকা-১৭ আসনের আকবর হাসান পাঠান ফারুক চলচিত্র অভিনেতা। ঢাকা-১৮ আসনের সাহারা খাতুন আইনজীবী। ঢাকা-১৯ আসনের এনামুর রহমান চিকিৎসক। ঢাকা-২০ বেনজীর আহমেদ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ব্যবসায়ী।

গাজীপুর-১ আসনের আকম মোজাম্মেল হক আইনজীবী। গাজীপুর-২ আসনে জাহিদ আহসান রাসেল ব্যবসায়ী। গাজীপুর-৩ ইকবাল হোসেন সবুজ রাজনীতিক। গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি ব্যবসা করেন। গাজীপুর-৫ আসনের মেহের আফরোজ চুমকী সামাজিক কর্মকা- করেন। নরসিংদী-১ আসনের নজরুল ইসলাম হীরু সাবেক সেনা কর্মকর্তা। নরসিংদী-২ আসনের আনোয়ারুল আশরাফ খান পলাশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (পেশায় চিকিৎসক)। নরসিংদী-৩ আসনে জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন সাবেক সংসদ সদস্য (পোশাক ব্যবসায়ী)। নরসিংদী-৪ আসনের নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন আইনজীবী। নরসিংদী-৫ আসনের রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু ব্যবসা করেন।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের গোলাম দস্তগীর গাজী শিল্পপতি। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের নজরুল ইসলাম বাবু ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক; রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। নারায়ণগঞ্জ-৪ একেএম শামীম ওসমান রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। রাজবাড়ী-১ আসনের কাজী কেরামত আলী ব্যবসা করেন। রাজবাড়ী-২ আসনের জিল্লুল হাকিম ওষুধ ও রি-কন্ডিশন গাড়ির ব্যবসা করেন।

ফরিদপুর ১ আসনের মঞ্জুর হোসেন সাবেক সচিব। ফরিদপুর-৩ আসনের মোশাররফ হোসেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। ফরিদপুর-৪ আসনে দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। গোপালগঞ্জ-১ আসনের ফারুক খান সাবেক সেনা কর্মকতা। গোপালগঞ্জ-২ আসনের শেখ ফজলুল করিম সেলিম ব্যবসা করেন। গোপালগঞ্জ-৩ আসনের শেখ হাসিনা রাজনীতিক।

মাদারীপুর-১ আসনের নূর ই আলম চৌধুরী লিটন পেশা ব্যবসা। মাদারীপুর-২ আসনের শাজাহান খান রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী। মাদারীপুর-৩ আসনের আব্দুস সোবহান গোলাপ রাজনীতিক। শরীয়তপুর-১ আসনের ইকবাল হোসেন অপু ও শরীয়তপুর-২ আসনের একেএম এনামুল হক শামীম ব্যবসা করেন। শরীয়তপুর-৩ আসনে নাহিম রাজ্জাকের পেশা ব্যবসা। সুনামগঞ্জ-১ আসনে মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের পেশা ব্যবসা। সুনামগঞ্জ-২ আসনের জয়া সেনগুপ্ত রাজনীতিক। সুনামগঞ্জ-৩ আসনের এম এ মান্নান সাবেক সরকারি কর্মকর্তা। সুনামগঞ্জ-৫ আসনের মুহিবুর রহমান মানিকের পেশা ব্যবসা।

সিলেট-১ আসনের এ কে আবদুল মোমেন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা। সিলেট-৩ আসনের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস কাপড় ও গার্মেন্ট ব্যবসায়ী। সিলেট-৪ আসনের ইমরান আহমদ চা বাগান ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মালিক। সিলেট-৬ আসনের নুরুল ইসলাম নাহিদের পেশা কৃষি ও রাজনীতি। মৌলভীবাজার-১ আসনের শাহাব উদ্দিন পেশা ব্যবসা ও কৃষি। মৌলভীবাজার-৩ আসনের নেসার আহম্মেদ রাজনীতিক। মৌলভীবাজার-৪ আসনের উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদের পেশা ব্যবসা। হবিগঞ্জ-২, ৩ ও ৪ আসনের যথাক্রমে আব্দুল মজিদ খান, আবু জাহির এবং মোহাম্মদ মাহবুব আলী পেশায় আইনজীবী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম রাজনীতিক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের র আ ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী পেশায় ব্যবসায়ী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের আনিসুল হক আইন পেশায় নিয়োজিত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে এবাদুল করিম বুলবুল পেশায় বিকন ফার্মাসিউটিক্যাল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোহিনূর ক্যামিকেলের পরিচালক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে এবি তাজুল ইসলাম সাবেক সেনা কর্মকর্তা।

কুমিল্লা-১ আসনের সুবিদ আলী ভূঁইয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা। কুমিল্লা-২ আসনের সেলিমা আহমাদ মেরী নিটল টাটা গ্রুপের পরিচালক। কুমিল্লা-৩ আসনের ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি। কুমিল্লা-৪ আসনের রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ব্যবসায়ী। কুমিল্লা-৫ আসনের আব্দুল মতিন খসরু পেশায় আইনজীবী। কুমিল্লা-৬ আসনের আকম বাহাউদ্দিন বাহার মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ব্যবসায়ী। কুমিল্লা-৭ আসনের আলী আশরাফ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও গবেষক। কুমিল্লা-৯ আসনের  তাজুল ইসলাম ব্যবসায়ী। কুমিল্লা-১০ আসনের আ হ ম মুস্তফা কামাল রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। কুমিল্লা-১১ আসনের মুজিবুল হক আইন পেশায় নিয়োজিত ও আয়কর উপদেষ্টা।

চাঁদপুর-১ আসনে মহিউদ্দীন খান আলমগীর অথবা গোলাম রহমান নৌকা প্রতীক পাবেন। দুইজনেই সাবেক সরকারি কর্মকর্তা। চাঁদপুর-২ আসনের মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করেন। চাঁদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি চিকিৎসক ও আইনজীবী। চাঁদপুর-৪ আসনের শামছুল হক ভূঁইয়া শিল্পপতি।

ফেনী-২ আসনের নিজামউদ্দিন হাজারীর পেশা উল্লেখ নাই। নোয়াখালী-১ এইচএম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ মোর্শেদ আলম, নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশীদ কিরন, নোয়াখালী-৪ আসনের একরামুল করিম চৌধুরী চারজনই পেশায় ব্যবসায়ী। নোয়াখালী-৫ আসনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের রাজনীতির পাশাপাশি লেখালেখি করেন। নোয়াখালী-৬ আসনের আয়েশা ফেরদাউস রাজনীতি করেন। লক্ষীপুর-৩ আসনে একেএম শাহজাহান কামাল অথবা গোলাম ফারুখ পিংকু নৌকা প্রতীক পাবেন। তারা উভয়েই ব্যবসা করেন। লক্ষীপুর-৪ আসনের মো. আবদুল্লাহ পেশায় ব্যবসায়ী।

চট্টগ্রাম-১ আসনের ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন হোটেল, গ্যাস ও খনিজ নির্মাণ, ট্র্রেডিং ও বিল্ডিং ডেভেলপমেন্ট ব্যবসা করেন।  চট্টগ্রাম-৩ আসনের মাহফুজুর রহমান রুপালী লাইফ ইন্সুরেন্সের চেয়ারম্যান, সোনার বাংলার পরিচালক। চট্টগ্রাম-৪ আসনের দিদারুল আলম শিল্পপতি। চট্টগ্রাম-৬ আসনের এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী পেশায় ব্যবসায়ী। চট্টগ্রাম-৭ আসনের আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদের পেশা শিক্ষকতা ও ব্যবসা। চট্টগ্রাম-৯ আসনের মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল পেশায় আইনজীবী।  চট্টগ্রাম-১০ আসনের আফছারুল আমীন চিকিৎসক। চট্টগ্রাম-১১ আসনের এম আবদুল লতিফ গার্মেন্ট ব্যবসায়ী। চট্টগ্রাম-১২ আসনের সামশুল হক চৌধুরী শিল্পপতি। চট্টগ্রাাম-১৩ আসনের সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ শিল্পপতি।  চট্টগ্রাম-১৪ আসনের নজরুল ইসলাম চৌধুরী আবাসন নির্মাণ ব্যবসায়ী। চট্টগ্রাম-১৫ আসনের আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন পেশায় শিক্ষক।

কক্সবাজার-১ আসনের জাফর আলম পেশায় ব্যবসায়ী। কক্সবাজার-২ আসনের আশেক উল্লাহ রফিক ব্যবসায়ী। কক্সবাজার-৩ আসনের সাইমুম সারোয়ার কমল ব্যবসায়ী। কক্সবাজার-৪ আসনের শাহিনা আক্তার চৌধুরী বর্তমান সংসদ আব্দুর রহমান বদির স্ত্রী। খাগড়াছড়ির কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ব্যবসায়ী, রাঙামাটির দীপংকর তালুকদার ও বান্দরবানের বীর বাহাদুর উসৈ সিং কৃষিভিত্তিক ব্যবসা করেন।