২৮ বছর পর নতুন মুখ পাচ্ছে জামালপুর সদরবাসী|111060|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৬:৫৮
২৮ বছর পর নতুন মুখ পাচ্ছে জামালপুর সদরবাসী
জামালপুর প্রতিনিধি

২৮ বছর পর নতুন মুখ পাচ্ছে জামালপুর সদরবাসী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নতুন মুখ পেতে যাচ্ছে জামালপুর-৫ সদর আসন। প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ায় আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেন ও বিএনপির অ্যাডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের মধ্যে হবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ভোটের লড়াইয়ে যে দল বিজয়ী হোক ১৯৯১ সালের পর এবার এমপি হিসেবে নতুন মুখ পেতে যাচ্ছেন জামালপুর সদরের বাসিন্দারা।  

জামালপুর-৫ আসনটি সদর উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন নিয়ে নিয়ে গঠিত। জেলার ৫ সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ আসন এটি। এ আসনে এবার মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩১। এরমধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৯হাজার ৪৩৪ এবং নারী ভোটার ২লাখ ৪০হাজার ৪৯৭।

দলীয় কোন্দলের সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনটিতে ১৯৯১ সালের ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সিরাজুল হক। এরপর ১৯৯৬ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত টানা ৩ বার বিএনপির প্রর্থী সিরাজুল হককে পরাজিত করে এমপি হন সাবেক ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা।

বিএনপি নির্বাচন বর্জন করলে ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহজেই বিজয়ী হন তিনি। দলীয় কর্মীরা মনে করছেন, টানা চারবার সংসদ সদস্য নর্বাচিত হওয়া রেজাউল করিম হীরা এবার মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন বয়সের কারণে। তার পরিবর্তে এবার দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেনকে।

অন্যদিকে ১৯৯৬ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত টানা তিন নির্বাচনে পরাজয়ে দলে ভিত নড়বড়ে হয়ে উঠে সিরাজুল হকের।  এরমধ্যে টানা দুই দফায় পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়ে নিজের জনপ্রিয়তার কথা জানান দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। দুই দফা পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক থাকায় জেলা সদর থেকে তৃণমূল সব জায়গায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি। আর দীর্ঘদিন ক্ষমতায় বাইরে থাকা বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলনে মাঠে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ায় কেন্দ্রের নজরে চলে আসেন ওয়ারেছ আলী মামুন মামুন।