রামগঞ্জে বিএনপি কার্যালয় ভাংচুর ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ|111066|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৮:০৯
রামগঞ্জে বিএনপি কার্যালয় ভাংচুর ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

রামগঞ্জে বিএনপি কার্যালয় ভাংচুর ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ

বিএনপি কার্যালয়ে পড়ে আছে ভাঙা চেয়ার। ছবি: দেশ রূপান্তর

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিএনপি কার্যালয় ভাংচুর ও কয়েকদফায় নেতাকর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ করেছে দলটি। শনিবার দুপুরে উপজেলার নাগমুদ কচু মার্কেটের বিএনপি কার্যালয় ভাংচুরের ঘটনা ঘটে বলে তারা জানায়। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী ও এলডিপির (লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির) সিনিয়র যুগ্ন-মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। পুলিশ হামলা ও ভাংচুরের খবর পায়নি বলে জানায়।

বিএনপি এসব ঘটনার জন্য প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে। তবে হামলার ঘটনা ও বিএনপি কার্যালয় ভাংচুরের সাথে কোনোভাবে আওয়ামী লীগ জড়িত নয় বলে দাবি করেন স্থানীয় নেতারা।

স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, শনিবার দুপুরে উপজেলার ৯ নম্বর ভোলাকোট ইউনিয়নের নাগমুদ কচু মার্কেটের বিএনপি কার্যালয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাল চালিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। দুপুর প্রায় আড়াইটার দিকে রামগঞ্জ শহর থেকে মোটরসাইকেলযোগে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী কচু মার্কেটে গিয়ে বিএনপি কার্যালয় ভাংচুর করে। এসময় হামলাকারীরা অফিসের মূল্যবান মালামাল লুট করে।

বিএনপির পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, শুক্রবার রাতে উপজেলার আলীপুর গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির বিএনপিসমর্থিত জামাল হোসেনকে ব্যাপক মারধর করে একদল দূর্বৃত্ত। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে রামগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রি অফিস জামে মসজিদ থেকে এশার নামাজ পড়ে বের হওয়ার পথে পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ও ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি আজাদ হোসেনের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। 

 এ বিষয়ে ধানের শীষের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে দলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। রাতে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে বাড়ি বাড়ি হুমকি দিচ্ছে নির্বাচনের আগে উপজেলা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য। আমরা লিখিতভাবে রিটার্নিং অফিসারকে বিষয়টি অবগত করব।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও নৌকা প্রতীকে মনোনয়নপ্রাপ্ত ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন জানান, এখানে বিএনপিকে বাদ দিয়ে এলডিপিকে মনোনয়ন দেয়ার কারণে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে শুনেছি।

রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তোতা মিয়া এ প্রতিবেদককে জানান, অফিস ভাংচুরের ঘটনা আমি জানি না। আর ছাত্রদল নেতার উপর হামলার ঘটনা আপনার কাছে শুনলাম।