ধুনটে বিএনপি প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা|111216|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৮:৪৪
ধুনটে বিএনপি প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা
বগুড়া প্রতিনিধি

ধুনটে বিএনপি প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা

ধুনটে বিএনপি দলীয় প্রার্থী জিএম সিরাজের গাড়ি বহরে হামলা। ছবি: দেশ রূপান্তর।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের (জিএম সিরাজ) গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। হামলায় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর-ধুনট সার্কেল) গাজীউর রহমান। 

মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ধুনট উপজেলা শহরের কলাপট্টি এলাকায় জিএম সিরাজের গাড়ি বহরে হামলার এই ঘটনা ঘটে। এতে তার ব্যক্তিগত গাড়িসহ অন্তত ১০ মোটরসাইকেল ভাংচুর চালান হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান। এছাড়া উপজেলার রাঙামাটি গ্রামে যুবদল নেতা মুরাদে বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয় বলেও দলটি অভিযোগ পাওয়া গেছে।  

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোমবার প্রতীক বরাদ্দের পর ধুনটের এলাঙ্গী বাজার এলাকায় সন্ধ্যার দিকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থকদের সঙ্গে মারপিটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জেরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ কর্মীরা উপজেলার রাঙামাটি গ্রামে যুবদল নেতা মুরাদে বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে।

মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বিএনপি প্রার্থী জিএম সিরাজ চারটি জিপ গাড়ি ও শতাধিক মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে যুবদল নেতা মুরাদের বাড়ি পরিদর্শনে যান। পথিমধ্যে ধুনট শহরের কলাপট্টি এলাকায় নৌকার সমর্থকরা গাড়িবহরে হামলা চালায়। পরে সিরাজসহ তার দলের নেতাকর্মীরা ধুনটের হুকুমআলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফিরে যান।

বিএনপি প্রার্থী জি এম সিরাজ দাবি করেছেন, পুলিশের সামনেই তার গাড়ি বহরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে।

তবে যুবদল নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে এলাঙ্গী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এম এ তারেক হেলাল বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোন নেতাকর্মী জড়িত নেই। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর-ধুনট সার্কেল) গাজীউর রহমান জানান, সেখানে একটি সংঘাতময় পরিস্থিতির খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ধুনট উপজেলার সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা ভাংচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারা লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।