কড়া শর্তে জামিনে হুয়াওয়ের সিএফও|111251|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৩৫
কড়া শর্তে জামিনে হুয়াওয়ের সিএফও
অনলাইন ডেস্ক

কড়া শর্তে জামিনে হুয়াওয়ের সিএফও

চীনের টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ের শীর্ষ নির্বাহী মেং ওয়ানঝুকে কড়া শর্তে জামিনে মুক্তি দিয়েছে কানাডা। যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ১০ দিন আগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

আলজাজিরা জানায়, ইরানে কোম্পানির ব্যবসায়িক লেনদেন সম্পর্কে বহুজাতিক ব্যাংককে বিভ্রান্ত করা এবং ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞার লঙ্ঘন করে ঋণদাতাদের ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়ার অভিযোগ আনা হয় হুয়াওয়ের এই শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার ভ্যানকুভারের এক আদালতে শুনানি শেষে বিচারপতি উইলিয়াম এহার মঙ্গলবার ওয়ানঝুকে তার পাঁচ বন্ধুর জিম্মায় জামিন দেন।

জামিনের জন্য সাড়ে সাত মিলিয়ন ডলার জামানত রাখা ছাড়াও সার্বক্ষণিক গতিবিধি নির্দেশক অ্যাংকল মনিটর পরে থাকতে হবে হুয়াওয়ের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তাকে। তাকে রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ঘরের মধ্যে অবস্থান করতে হবে।

মেং ওয়ানঝু হুয়াওয়ের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা (সিএফও), সেইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা বোর্ডের ডেপুটি চেয়ারম্যানও। তিনি হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও মালিক রেন ঝেংফেইয়ের মেয়ে।

হংকং থেকে মেক্সিকো যাওয়ার পথে ওয়ানঝুকে গ্রেফতার করে কানাডা। গত ১ ডিসেম্বর ভ্যানকুভার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হলেও বুধবার এক বিবৃতিতে এ ঘটনা প্রকাশ করে কানাডার বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিবিসি জানায়, শুক্রবার  ৪৬ বছর বয়সী এ চীনা নাগরিককে আদালতে তোলা হলে কানাডা সরকারের এক প্রসিকিউটর তাকে জামিন না দেয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।

কানাডার সর্বোচ্চ আদালত ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সুপ্রিম কোর্টে প্রসিকিউটর দাবি করেন, হুয়াওয়ে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল নাগাদ স্কাইকম নামে আলাদা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানে ব্যবসা করেছে।

এদিকে গ্রেফতারের পর ওয়ানঝুকে ওয়াশিংটনের কাছে হস্তান্তর করতে কানাডার প্রতি আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র। হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে ইরানের ওপর আনা নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্ত করছে তারা।

আলজাজিরা জানায়, দোষী প্রমাণিত হলে ৩০ বছরেরও বেশি কারাদণ্ড হতে পারে ৪৬ বছর বয়সী ওয়ানঝুর। তবে হুয়াওয়ের সঙ্গে স্কাইকমের কোনো ধরনের সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন তিনি।

এদিকে, হুয়াওয়ে কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। এই ঘটনাকে ‘অমানবিক আচরণ’ আখ্যা দিয়ে কানাডাকে ‘পরিণতি ভোগ করতে হবে’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।