পাটের উন্নয়নে দুর্নীতি রোধ জরুরি|111311|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
পাটের উন্নয়নে দুর্নীতি রোধ জরুরি
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাটের উন্নয়নে দুর্নীতি রোধ জরুরি

আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও দুর্নীতি রোধ করা গেলে পাট খাতের উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে মত দিয়েছেন গবেষকরা। পাশাপাশি প্রয়োজন প্রযুক্তির ব্যবহার। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় পাট ও পাটশিল্প রক্ষা কমিটি আয়োজিত ‘পাট খাতের বর্তমান অবস্থা ও করণীয়’ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে গবেষকরা বলেন, পাটশিল্প ধ্বংস হয়নি। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন নেতিবাচক উপাদানের প্রভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটশিল্পের বিপর্যয় ঘটেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দরকার প্রযুক্তির ব্যবহার। এ ছাড়া এই শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

পাট ও পাটশিল্প রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক খালিদ হোসেন বলেন, ‘এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত যেসব আইন রয়েছে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো লবিস্ট এবং ভালো মানের পণ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা গেছে। পাটশিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সিন্ডিকেট এবং দুর্নীতিগুলো কাঠোরভাবে দমন করতে হবে।’

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশে ২১৫টি পাটকল রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৫১টি বন্ধ। পাটশিল্প কিন্তু ধ্বংস হয়নি। তবে এই শিল্পের বৃহত্তম অংশ যেটা সরকারের অধীনে ছিল তার বিপর্যয় ঘটেছে।’

অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ-এর পরিচালক আসগর আলী সাবরী বলেন, ‘পাট খাতের সমস্যা দূর করতে জুট প্যাকেজিং অ্যাক্টের কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। পাটকলগুলোর লোকসান কমাতে কলগুলোর লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি দক্ষ বাজারজাত ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে।’

সিন্ডিকেট এবং দুর্নীতিগুলো কাঠোরভাবে দমন করতে হবে।’

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশে ২১৫টি পাটকল রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৫১টি বন্ধ। পাটশিল্প কিন্তু ধ্বংস হয়নি। তবে এই শিল্পের বৃহত্তম অংশ যেটা সরকারের অধীনে ছিল তার বিপর্যয় ঘটেছে।’

অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ-এর পরিচালক আসগর আলী সাবরী বলেন, ‘পাট খাতের সমস্যা দূর করতে জুট প্যাকেজিং অ্যাক্টের কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। পাটকলগুলোর লোকসান কমাতে কলগুলোর লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি দক্ষ বাজারজাত ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে।’ সিন্ডিকেট এবং দুর্নীতিগুলো কাঠোরভাবে দমন করতে হবে।’ বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশে ২১৫টি পাটকল রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে পাটশিল্পের উন্নয়নে বেশ কয়েকটি সুপারিশ উত্থাপন করা হয়। আরো জানানো হয়, মধ্যস্বত্বভোগীদের যোগসাজশে নির্ধারিত মৌসুমে কাঁচা পাট কিনতে পারেন না সংশ্লিষ্টরা। পাট মৌসুম শেষে দ্বিগুণ দামে পাট কিনে নেন। এতে পাটকলগুলো ক্রমাগত লোকসান গুনছে। এক হিসাবে দেখা যায়, বর্তমানে পাটকলগুলো ৬০-৬৫ হাজার টাকায় কাঁচা পাট কিনে বিক্রি করে ৮৫ হাজার টাকায়। আর এর সঙ্গে উৎপাদন ব্যয় যোগ করলে কোনো লাভ থাকে না। সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ-এর ডেপুটি ম্যানেজার রেজোয়ান সিদ্দিকী।