ভোটের জোয়ারে ভাসছে নৌকা, মাঠে নেই বিএনপি|112066|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
ভোটের জোয়ারে ভাসছে নৌকা, মাঠে নেই বিএনপি
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

ভোটের জোয়ারে ভাসছে নৌকা, মাঠে নেই বিএনপি

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিতি গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে স্বাধীনতার পর থেকে যতবার জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এর প্রায় সবগুলোতেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রচারে ব্যস্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। বরাবরের মতো এবারও আসনগুলো ধরে রাখার প্রত্যয় তাদের। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিএনপিও। যদিও এ পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঠে দেখা যায়নি।

গোপালগঞ্জ-১

কাশিয়ানী উপজেলার একাংশ এবং মুকসুদপুর উপজেলা নিয়ে গোপালগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান। এ ছাড়া, বিএনপির এফ ই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মিজানুর রহমান (হাতপাখা) এবং বাসদের ইছাহাক মোল্লা (মই) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

গোপালগঞ্জ-২

সদর ও কাশিয়ানী উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসন। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দলের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি গত সাতটি সংসদ নির্বাচনেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপির সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তসলিম সিকদার (হাতপাখা) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

গোপালগঞ্জ-৩

টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৪৬ হাজার ১৭৫ জন। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। এই আসন থেকে ছয়বার বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া, বিএনপির এস এম জিলানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মারুফ শেখ (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. উজির ফকির (সিংহ) ও মো. এনামুল হক (আপেল) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন।

প্রতীক বরাদ্দের পর গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারে নামেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর বিকেলে কোটালীপাড়ায় প্রথম নির্বাচনী জনসভায় তিনি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট চান।

জেলার তিনটি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা  মাঠে থাকলেও বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাসদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচার চোখে পড়েনি। 

জেলার তিনটি আসনের ভোটাররা জানান, জেলার সার্বিক উন্নয়নে যে দল বা প্রার্থী কাজ করেছেন, বরাবরের মতো এবারও সেই দলের প্রার্থীদেরই বিপুল ভোটে জয়ী করার প্রত্যাশা তাদের। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মনসুর আলী বলেন, সারা দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এ জেলায় ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।  জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকা-ের কারণে এবারও বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হবেন।