সিরিজ জিততে বাংলাদেশের চাই ১৯১|112499|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৮:৫২
সিরিজ জিততে বাংলাদেশের চাই ১৯১
অনলাইন ডেস্ক

সিরিজ জিততে বাংলাদেশের চাই ১৯১

শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের উপর চড়াও হয়ে খেলল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এভিন লুইস চালালেন তাণ্ডব। তাতে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া শুরুতেই। তবে পরে দারুণ ভাবে ম্যাচে ফিরে ক্যারিবীয়দের স্কোরটা দু শ পেরোতে না দেওয়ার স্বস্তি থাকছে। যদিও বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্যই অতিক্রম করতে হবে ম্যাচ নিজেদের করতে হলে।

শনিবার মিরপুরে সিরিজ নির্ধারণী টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ১৯১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে আগে ব্যাট করে অল আউট হওয়ার আগে ১৯.২ ওভারে ১৯০ রান করে সফরকারীরা।

উইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৯ রান আসে লুইসের ব্যাট থেকে। ২৯ রান করেন নিকোলাস পুরান। বাংলাদেশের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান।

এভিন লুইস ও শাই হোপ তাণ্ডবে মাত্র ৩.১ ওভারেই দলীয় অর্ধশতক পূরণ করে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে শাই হোপকে ফিরিয়ে ভয় ধরানো জুটি ভাঙেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ১২ বলে ১ ছক্কা ও ৩ চারে ২৩ রান করেন হোপ। এরপর ২ রান করা কিমো পলকে ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান।

তবে একপ্রান্তে লুইস ঝড় চলতেই থাকে। ১৮ বলেই ৩ চার ও ৬ ছক্কায় এই বাঁহাতি পূরণ করে ফেলেন টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলীয় ১০০ পূরণ করে মাত্র ৭.১ ওভারে।

বাংলাদেশের বোলাররা যখন দিগ্ভ্রান্ত অবস্থা ঠিক তখন স্বস্তি এনে দেন মাহমুদউল্লাহ। দশম ওভারে বল হাতে নিয়েই দ্বিতীয় বলে ফিরিয়ে দেন লুইসকে। বোল্ড হয়ে ফেরার আগে ৩৬ বলে ৮৯ রান করেন লুইস। ৬ চারের সঙ্গে ৮ ছক্কা মেরেছেন তিনি।

লুইসকে ফেরানোর পরের বলেই শিমরন হেটমায়ারকেও ফিরিয়ে দেন মাহমুদউল্লাহ। রিভিউ নিয়েও জীবন পাননি শূন্য রান করা হেটমায়ার।

এরপরও ঝড় থামেনি। নিকোলাস পুরান ও রোভম্যান পাওয়েল মিলে সাকিবের করা ১৩তম ওভারে তোলেন ১৭ রান। উইন্ডিজের রানের গতিতে তাই লাগাম টানা যায় না।

১৬ বলে ১৯ রান করা রোভম্যান পাওয়েলকেও ফেরান মাহমুদউল্লাহ। তাতে পুরানের সঙ্গে ভয় ধরানো জুটির পতন হয়। এরপর পুরানকে ২৯ রান করা পুরানকে ফেরান মোস্তাফিজ। ২৪ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ২৯ রান করেন পুরান।

ক্যারিবীয়রা এরপর বাকি উইকেট হারায় নিয়মিত বিরতিতে। মাত্র ১৪ রানের ব্যবধানে শেষ পাঁচ উইকেট পড়ে দলটির। চার বল বাকি থাকতেই তাই গুটিয়ে যায় সফরকারী দল।