তারা জামায়াত নয়, বিএনপির প্রার্থী : নজরুল|112620|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
তারা জামায়াত নয়, বিএনপির প্রার্থী : নজরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

তারা জামায়াত নয়, বিএনপির প্রার্থী : নজরুল

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধন বাতিল হওয়া দল জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী নেই বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। গতকাল শনিবার ঢাকায় নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে একটি চিঠি দিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি করেন তিনি।

নির্বাচনে জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামীকে ২৫টি আসন ছাড় দিয়েছে বিএনপি।  এ আসনগুলোতে জামায়াতের প্রার্থীরা বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করছে। তাদের বিষয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা নজরুল বলেন, তারা শুধু ধানের শীষের নয়, বিএনপিরও মনোনীত প্রার্থী। বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষে নির্বাচন করছেন তারা। জামায়াত তাদের মনোনীত করেনি, করেছে বিএনপি। সিইসিকে দেওয়া চিঠিতে আদালতের নির্দেশে যেসব আসনে বিএনপির প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, সেগুলোতে পুনঃতফসিল অথবা প্রার্থিতা পরিবর্তনের সুযোগ চেয়েছে বিএনপি। 

বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া জামায়াতের নেতাদের পদবি তাদের দলীয় ওয়েবসাইটে উল্লেখ আছে বলে নজরুলকে জানান সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, ‘ওয়েবসাইটে পদ-পদবি থাকুক। আপনারাও যদি আমাদের কাছে মনোনয়ন চান, আমরা দিতে পারি। কোনো ওয়েবসাইটে আপনার নাম কীভাবে আছে, সেটা পরের ব্যাপার। আমরা আইনের মাধ্যমে দিতে পারি কি না, সেটা হলো বিষয়। জামায়াত কোনো নিবন্ধিত দল নয়। কারা কারা জামায়াত করে, সেই তালিকাও আমাদের কাছে নেই। আমরা যাদের মনোনয়ন দিয়েছি, তারা আমাদের দলের প্রতীক ধানের শীষ পেয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটা যদি অবৈধ হতো, তাহলে নির্বাচন কমিশন আগেই বলত, তাদের প্রার্থিতা অবৈধ। তাদের যদি প্রতীক দেওয়া বেআইনি হতো, যখন প্রতীক বরাদ্দ করা হয়, তখন নির্বাচন কমিশন কেন প্রতীক বরাদ্দ করল? আওয়ামী লীগ সবসময় বলে নির্বাচন কমিশন যা করে, তাই আমরা মেনে নেব, বাধা সৃষ্টি করব না। এখন কেন আওয়ামী ইসির কাজে পদে পদে বাধা সৃষ্টি করছে?’

এখন পর্যন্ত আদালতে ধানের শীষের ১২ থেকে ১৪ জনের প্রার্থিতা বাতিল  হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।  এসব আসনের নির্বাচন স্থগিত রেখে আবার নির্বাচনের দাবি করছি অথবা এসব আসনে আমাদের প্রার্থী পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হোক। নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বৈধতা দেওয়ার কারণেই তাদের আমরা মনোনীত করেছি।  কমিশন যদি সেই সময় অবৈধ ঘোষণা করত, আমরা অন্য প্রার্থী দিতাম।’