লড়াইয়ে ফারুক, পোস্টারে এরশাদ, মাঠে নেই পার্থ ...|112726|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
লড়াইয়ে ফারুক, পোস্টারে এরশাদ, মাঠে নেই পার্থ ...
ইমন রহমান

লড়াইয়ে ফারুক, পোস্টারে এরশাদ, মাঠে নেই পার্থ ...

ঢাকা-১৭ আসনে নৌকা ও লাঙ্গলের প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। এই আসনে যেমন রয়েছে ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী, বারিধারা, ভাসানটেক, ডিপ্লোমেটিক জোন তেমনি রয়েছে কড়াইল, ভাসানটেক, সাততালা বস্তি। সব মিলে ৩ লাখ ১৮ হাজার ভোট রয়েছে আসনটিতে।

নির্বাচনের প্রচারে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি সমানে সমান। জাতীয় পার্টি চায় হারানো আসন ফিরে পেতে, আওয়ামী লীগও আসনটি নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া। উভয় দলের পোস্টারে ছেয়ে গেছে ঢাকা-১৭ আসনের এলাকা। রাস্তার মোড়ে মোড়ে লিফলেট নিয়ে কর্মী সমর্থকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে ধানের শীষের প্রচার নেই বলে জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা।

এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আকবর হোসেন পাঠান। তিনি চিত্রনায়ক ফারুক হিসেবে বেশি পরিচিত। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি নায়ক হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করতে দিন-রাত পরিশ্রম করে চলেছেন।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছেন দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তবে তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে থাকায় তার পক্ষে প্রচারণার দায়িত্বে থাকা সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এস এম ফয়সাল চিশতি। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় এরশাদের উপস্থিতি কোনো বিষয় না। তিনি জাতীয় নেতা, তিনি ভিভিআইপি নেতা। এরশাদের নির্বাচনী প্রচারণায় দলের নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট। ভোটাররা ২০০৮ সালের মতোই এরশাদকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।’ 

এদিকে ধানের শীষের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ। বিএনপির প্রচার না থাকলেও সমর্থকরা বলছেন, নির্বাচনের মাঠে নামলে হামলা-মামলা হবে। হয়রানির ভয়ে মাঠে নামছেন না প্রার্থীরা। অভিজাত এ এলাকাতে নির্বাচনী আমেজ এখন তুঙ্গে। প্রার্থীরা দিন-রাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। ঢাকা-১৭ আসন থেকে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্যরা হলেনÑপ্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল থেকে বাঘ প্রতীক নিয়ে আলী হায়দার, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) থেকে টেলিভিশন প্রতীকে বর্তমান সংসদ সদস্য এস এম আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ থেকে মই প্রতীকে এস এম আহসান হাবিব, জাকের পার্টি থেকে গোলাপ প্রতীকে কাজী মো. রাশিদুল হাসান, সিংহ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল হুদা, দালান প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে আমিনুল হক তালুকদার, কুলা প্রতীকে বিকল্প ধারা বাংলাদেশের লে. কর্নেল ডা. (অব) এ কে এম সাইফুর রহমান।

নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পাশাপাশি মানবিক ঢাকা নামের একটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রচার চালাচ্ছেন। গত শনিবার সংগঠনের ৫০০ নেতাকর্মী প্রচারণায় অংশ নেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি সারাটা জীবন সমাজে অবহেলিত, দুঃখী মানুষের কষ্ট তুলে ধরে ছবি করেছি। মানুষ আমাকে মন থেকে ভালোবাসে। এখানে আওয়ামী লীগের ভোট ও আমার ব্যক্তিগত ভোট মিলে নির্বাচনে জয় পাওয়ার বিষয়ে আমি আশাবাদী।’

কড়াইল বস্তির বাসিন্দা মো. সাঈদ বলেন, ‘এই সরকার বস্তিতে গ্যাস, পানি দিছে। আমরা এই সরকারকেই চাই।’ অপর বাসিন্দা খাদিজা বলেন, ‘সুষ্ঠু ভোট হলে ধানের শীষ জিতবে। মানুষ এবার পরিবর্তন চায়।’

বনানীর চা দোকানি জসিম শেখ বলেন, ‘প্রতীক নয়। এবার প্রার্থী দেখে ভোট দেব। যার কাছে সুখে-দুঃখে যেতে পারব তাকেই ভোট দেব।’ ঢাকা-১৭ আসনে নৌকা ও লাঙ্গলের প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। এই আসনে যেমন রয়েছে ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী, বারিধারা, ভাসানটেক, ডিপ্লোমেটিক জোনÑ তেমনি রয়েছে কড়াইল, ভাসানটেক, সাততালা বস্তি। সব মিলে ৩ লাখ ১৮ হাজার ভোট রয়েছে আসনটিতে।

নির্বাচনের প্রচারে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি সমানে সমান। জাতীয় পার্টি চায় হারানো আসন ফিরে পেতে, আওয়ামী লীগও আসনটি নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া। উভয় দলের পোস্টারে ছেয়ে গেছে ঢাকা-১৭ আসনের এলাকা। রাস্তার মোড়ে মোড়ে লিফলেট নিয়ে কর্মী সমর্থকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে ধানের শীষের প্রচার নেই বলে জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা।

এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আকবর হোসেন পাঠান। তিনি চিত্রনায়ক ফারুক হিসেবে বেশি পরিচিত। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি নায়ক হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করতে দিন-রাত পরিশ্রম করে চলেছেন।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছেন দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তবে তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে থাকায় তার পক্ষে প্রচারণার দায়িত্বে থাকা সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এস এম ফয়সাল চিশতি। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় এরশাদের উপস্থিতি কোনো বিষয় না। তিনি জাতীয় নেতা, তিনি ভিভিআইপি নেতা। এরশাদের নির্বাচনী প্রচারণায় দলের নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট। ভোটাররা ২০০৮ সালের মতোই এরশাদকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।’ 

এদিকে ধানের শীষের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ। বিএনপির প্রচার না থাকলেও সমর্থকরা বলছেন, নির্বাচনের মাঠে নামলে হামলা-মামলা হবে। হয়রানির ভয়ে মাঠে নামছেন না প্রার্থীরা। অভিজাত এ এলাকাতে নির্বাচনী আমেজ এখন তুঙ্গে। প্রার্থীরা দিন-রাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। ঢাকা-১৭ আসন থেকে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্যরা হলেনÑ প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল থেকে বাঘ প্রতীক নিয়ে আলী হায়দার, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) থেকে টেলিভিশন প্রতীকে বর্তমান সংসদ সদস্য এস এম আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ থেকে মই প্রতীকে এস এম আহসান হাবিব, জাকের পার্টি থেকে গোলাপ প্রতীকে কাজী মো. রাশিদুল হাসান, সিংহ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল হুদা, দালান প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে আমিনুল হক তালুকদার, কুলা প্রতীকে বিকল্প ধারা বাংলাদেশের লে. কর্নেল ডা. (অব) এ কে এম সাইফুর রহমান।

নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পাশাপাশি মানবিক ঢাকা নামের একটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রচার চালাচ্ছেন। গত শনিবার সংগঠনের ৫০০ নেতাকর্মী প্রচারণায় অংশ নেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি সারাটা জীবন সমাজে অবহেলিত, দুঃখী মানুষের কষ্ট তুলে ধরে ছবি করেছি। মানুষ আমাকে মন থেকে ভালোবাসে। এখানে আওয়ামী লীগের ভোট ও আমার ব্যক্তিগত ভোট মিলে নির্বাচনে জয় পাওয়ার বিষয়ে আমি আশাবাদী।’

কড়াইল বস্তির বাসিন্দা মো. সাঈদ বলেন, ‘এই সরকার বস্তিতে গ্যাস, পানি দিছে। আমরা এই সরকারকেই চাই।’ অপর বাসিন্দা খাদিজা বলেন, ‘সুষ্ঠু ভোট হলে ধানের শীষ জিতবে। মানুষ এবার পরিবর্তন চায়।’

বনানীর চা দোকানি জসিম শেখ বলেন, ‘প্রতীক নয়। এবার প্রার্থী দেখে ভোট দেব। যার কাছে সুখে-দুঃখে যেতে পারব তাকেই ভোট দেব।’