ইউনূস সেন্টারের দাবি গ্রামীণ স্কটল্যান্ড আগেই ছেড়েছেন ড. ইউনূস|112960|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
ইউনূস সেন্টারের দাবি গ্রামীণ স্কটল্যান্ড আগেই ছেড়েছেন ড. ইউনূস
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইউনূস সেন্টারের দাবি গ্রামীণ স্কটল্যান্ড আগেই ছেড়েছেন ড. ইউনূস

বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের আদলে গ্লাসগোতে ক্ষুদ্রঋণের ব্যবসা শুরু করা গ্রামীণ স্কটল্যান্ড ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস অনেক আগে থেকেই সম্পৃক্ত নন বলে দাবি করেছে ইউনূস সেন্টার। গ্রামীণ স্কটল্যান্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার সংবাদে ড. ইউনূসকে জড়ানোর খবরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে উল্লেখ করে গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোর্শেদ।

রোববার বিবিসির সংবাদে বলা হয়, ২০১২ সালে কাজ শুরু করা গ্রামীণ স্কটল্যান্ড ফাউন্ডেশনের ছয় পরিচালকের একজন হলেন বাংলাদেশের মুহাম্মদ ইউনূস। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ব্রায়ান মিলনে বলেছেন, পরিচালকরা প্রতিষ্ঠানটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করে বন্ধের আবেদন করেছেন।  ‘গ্রামীণ যুক্তরাজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার সংবাদ দুঃখজনক’ উল্লেখ করে লামিয়া মোর্শেদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘স্কটল্যান্ডের বহু নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির সহযোগিতা এবং প্রতিষ্ঠানটির সদিচ্ছা সত্ত্বেও গ্রামীণ যুক্তরাজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার সংবাদে আমরা ব্যথিত।’ লামিয়া বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে এ ছোট কর্মসূচিটি বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে গ্লাসগোর সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের কাছে ক্ষুদ্রঋণের সুবিধা পৌঁছে দিতে গ্লাসগো ক্যালেডোনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাজ্যে গ্রামীণ স্কটল্যান্ড ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ড. ইউনূস সময় দিতে না পারায় ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পরপরই পর্ষদ থেকে অব্যাহতি নেন। গ্লাসগোর এক অভিজ্ঞ ব্যাংকারকে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। কর্মসূচির শুরুর দিকে বাংলাদেশ থেকে কিছু বিশেষজ্ঞ নেওয়া হলেও পরে তাদের স্থলে স্থানীয় লোক নিয়োগ দেওয়া হয়।