ভোটের দিন কী করা যাবে, কী যাবে না|113683|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৯:২২
ভোটের দিন কী করা যাবে, কী যাবে না
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোটের দিন কী করা যাবে, কী যাবে না

শুক্রবার নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব। ছবি: দেশ রূপান্তর

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন ভোটার, সাংবাদিকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কী করতে পারবে ও কী করতে পারবে না তার একটি নির্দেশনা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের মিডিয়া কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে  ইসি সচিব বলেন, ভোটের দিন ইসির অনুমোদন ছাড়া কোনো যান্ত্রিক যানবাহন চলবে না। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সরকারি গাড়ি, সেবা সংস্থা যেমন- ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, সংবাদপত্র পরিবাহী গাড়ি এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

ভোট কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না জানিয়ে ইসি সচিব, ভোটাররা চাইলে সঙ্গে মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে তা সুইচড অফ রাখতে হবে। ভোটাররা কোনোভাবে বুথ ও কেন্দ্রে ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।

ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়ার বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান বলেন, প্রতি ভোটকেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণা হবে। প্রিসাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রে ভোট গণনা করবেন। এ সময় সহকারী রিটার্নিং, প্রার্থীর এজেন্টেরা উপস্থিত থাকতে পারবেন।

তিনি জানান, ভোট গণনা শেষে প্রিসাইডিং অফিসার লিখিত ফলাফল সংশ্লিষ্টদের সরবাহর করবেন। পরে এ ফলাফল রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠাবেন। রিটার্নিং অফিসাররা তা ইসিতে পাঠাবেন। ইসির ফোয়ারা প্রাঙ্গণে স্থাপিত মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে। এ চত্বরে ইসি দশটি মনিটরের মাধ্যমে ফলাফল প্রদর্শন করবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, ইভিএমের ভোট কেন্দ্রে স্মার্টকার্ড বাধ্যতামূলক নয়, তবে নিয়ে গেলে ভোট দান সহজ হবে।

ইসি সচিব বলেন, সারা দেশে ভোট কেন্দ্রের জন্য এসএমএসের মাধ্যমে ভোটার এলাকা, ভোটার কেন্দ্র ও কেন্দ্রের নম্বর পাওয়া যাবে। শনিবার থেকে এ সেবা চালু হবে। নির্বাচনের নিরাপত্তায় ইসির তরফে প্রায় ৭ লাখের কাছাকাছি নিরাপত্তা সদস্য, সাত লাখ বেসামরিক কর্মকর্তা ও এক লাখ পর্যবেক্ষক, সাংবাদিক ও অন্যান্যরা থাকবেন। আশা করি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, পোলিং অফিসাররা সকাল আটটার আগে প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে নিয়োগপত্র দেখাবেন। এসব বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ইসি ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, ইসি এরই মধ্যে যতগুলো অভিযোগ পেয়েছে সব তদন্ত কমিটির কাছে পাঠিয়েছে। ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মামলা দায়েরেরও নির্দেশনা দিয়েছি।

ইসি সচিব বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ বিভাগের থেকে করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভোট দেওয়ার জন্য পোস্টাল ব্যালটের আবেদন করেছেন কি না তা জানা নেই। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বলতে পারবেন।