দলে দলে ভোটকেন্দ্রে যান রিজভীর মাধ্যমে কারাবন্দি খালেদার বার্তা|113986|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
দলে দলে ভোটকেন্দ্রে যান রিজভীর মাধ্যমে কারাবন্দি খালেদার বার্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক

দলে দলে ভোটকেন্দ্রে যান রিজভীর মাধ্যমে কারাবন্দি খালেদার বার্তা

বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভোটার, ধানের শীষের সমর্থক ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বার্তায় খালেদা জিয়া ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ‘আগামীকাল (আজ) রবিবার আপনাদের সুযোগ আসবে স্বৈরশাসকদের হাত থেকে মুক্তি লাভের, দেশ মুক্ত করার। সকল হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে দলে দলে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। আপনাদের এক-একটি ভোট নিশ্চিত করতে পারে জনগণের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।’ একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগের দিন গতকাল শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই বার্তা পড়ে শোনান রিজভী।

রিজভী বলেন, ‘তিনি বলেছেন, ফজরের নামাজ পড়েই ভোটের লাইনে দাঁড়াবেন। ভোট শুরুর আগে ব্যালট বক্স পরীক্ষা করবেন। ভোট দিয়ে কেন্দ্রের আশপাশে থাকবেন। আপনারা শুধু সাধারণ ভোটারই নন, ভোটারদের অতন্দ্র প্রহরী। ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করে কে কত ভোট পেলেন, তা নিশ্চিত না হয়ে সাদা কাগজে সই করবেন না। কোনো অবস্থাতেই প্রিসাইডিং অফিসারের সই ছাড়া সই করবেন না। ফলাফল নিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাবেন। আজ (শনিবার) বিকেল থেকেই পালাক্রমে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন।’

বার্তায় খালেদা জিয়া সারা দেশকে আতঙ্কের জনপদে পরিণত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বলেও জানান রিজভী। ‘তিনি বলেছেন, রোববারের নির্বাচন নিয়ে অবৈধ শাসকগোষ্ঠী নানা কায়দা-কানুন ও পরিকল্পনা করছে। তারা ময়ূরের সিংহাসন থেকে ছিটকে পড়ার ভয়ে এই কয়েক দিন রক্তাক্ত হামলায় সারা দেশকে আতঙ্কের জনপদে পরিণত করেছে। বিএনপির মিছিল ও নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালানোসহ সহিংস আক্রমণে তাদের রক্ত ঝরাচ্ছে। আগের রাতে ব্যালটে নৌকা মার্কায় সিল মেরে রাখার পরিকল্পনাসহ নানামুখী নীলনকশা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা চলছে। গত শুক্রবার থেকে নির্বাচনী প্রচার বন্ধ থাকলেও আওয়ামী ক্যাডাররা বিভিন্ন আসনে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়েছেন।’

রিজভী বলেন, ‘তিনি বলেছেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হামলা ও গ্রেপ্তারের হিড়িকের ধারাবাহিকতায় গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এর মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়েছে চরমে। তফসিল ঘোষণার পর মামলা-হামলা-গ্রেপ্তারের স্পিড লিমিট নেই। যেন এই নির্বাচনের চূড়ান্ত ক্ষণে সারা বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে বন্দি করেছে অবৈধ শাসকগোষ্ঠী।’