ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানির নতুন তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি|124484|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০
ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানির নতুন তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানির নতুন তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার গণশুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। গতকাল মঙ্গলবার মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের আইনি চেম্বারে জোটের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন জানান,ফ্রন্টের গণশুনানি ছিল ২৪ ফেব্রুয়ারি। তবে এটি হবে ২২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কর্মসূচি দুদিন এগিয়ে আনার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোথাও জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। সরকার জায়গা বরাদ্দ দিচ্ছে না। ২২ ফেব্রুয়ারি আইনজীবী সমিতির মিলনায়তন ফাঁকা থাকায় বুকিং দেওয়া হয়েছে। এজন্য তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। জামায়াত থেকে ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তার পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়ে ড. কামাল বলেন, ক্ষমা চাওয়ার বিষয়কে আমি স্বাগত জানাই। তবে আমি মনে করি, এটা যথেষ্ট নয়। ক্ষমা চাওয়ার মধ্য দিয়ে সবকিছু মাফ হয়ে যায় না। গণশুনানি থেকে ফ্রন্ট কী অর্জন করবে- জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, সংবিধানে লেখা আছে, জনগণ ক্ষমতার মালিক। সেদিন জনগণ জানতে পারবে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে কী হয়েছে। তার বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রার্থীরা তুলে ধরবেন।

ফ্রন্টের নেতা ও জেএসডি সভাপতি আ স ম রব জানান, গণশুনানিতে ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল বিএনপি, জেএসডি, গণফোরাম, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ এবং নাগরিক ঐক্য ছাড়া বাম ও গণতান্ত্রিক যেসব দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

নিবন্ধন বাতিল হওয়া সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর ২২ জন প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছে- তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে কি না জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, নির্বাচনে ফ্রন্টে জামায়াত ছিল না। ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন হাতপাখা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে কি না- এমন প্রশ্নে রব বলেন, বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা হবে।

 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আব্দুস সালাম, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, জগলুল হায়দার আফ্রিক, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, শহিদুল্লাহ কায়সার, বিকল্পধারার অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।