এক মেয়ের ফোন নম্বর নিয়ে তর্কে সহপাঠীকে খুন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের!|135151|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৯ এপ্রিল, ২০১৯ ২০:৪৮
এক মেয়ের ফোন নম্বর নিয়ে তর্কে সহপাঠীকে খুন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের!
ফেনী প্রতিনিধি

এক মেয়ের ফোন নম্বর নিয়ে তর্কে সহপাঠীকে খুন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের!

সহপাঠীর হাতে খুন অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আরাফাত হোসেন শুভ।

ফেনী সদর উপজেলার মাথিয়ারা থেকে নিখোঁজের সাত দিন পর স্কুলছাত্র আরাফাত হোসেন শুভর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার সহকর্মী ইসমাঈল হোসেন ইমন (১৪) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

মঙ্গলবার ফেনী সদর আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

নিহত শুভ ও আসামি ইমন- দুজনই স্থানীয় মাদার কেয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ৩১ মার্চ বিকেলে নিখোঁজ হয় দক্ষিণ কাশিমপুর এলাকার সৌদি প্রবাসী ইমাম হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন শুভ (১৪)।

ঘটনার সাত দিন পর মাথিয়ারা এলাকার একটি ডোবা থেকে পুলিশ অর্ধগলিত অবস্থায় শুভর লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাদী হয়ে নিহত শুভর মা খাদিজা বেগম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ শুভর সহপাঠী ইসমাঈল হোসেন ইমনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মঙ্গলবার ফেনী সদর আমলি আদালতে তোলা হলে ইমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

জবানবন্দিতে ইমন জানান, বিগত ৩০ মার্চ একটি মেয়ের মোবাইল নম্বর নিয়ে ইমনের সঙ্গে শুভর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ৩১ মার্চ বিকেলে শুভকে বাড়ি থেকে ডেকে আনে ইমন। পরে তারা দু’জনে তেমুহনী বাজারের ডেন্টাল গলিতে বসে ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও দেখে।

বিকেল ৪/৫টার দিকে ইমন তার সহপাঠী শুভকে কৌশলে পার্শ্ববর্তী কলাবাগানে নিয়ে ছুরি দিয়ে গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে হত্যা করে।

গ্রেপ্তারকৃত ইমন মধ্যম মাথিয়ারা গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত ইমনকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেয়।

ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তদন্ত সাজেদুল ইসলাম জানান, শুভকে নিজ হাতে তার সহপাঠী ইমন খুন করেছে বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।