নুসরাত হত্যায় জড়িত সবাই আ.লীগের|136175|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০
ব্রিফিংয়ে রিজভী
নুসরাত হত্যায় জড়িত সবাই আ.লীগের
নিজস্ব প্রতিবেদক

নুসরাত হত্যায় জড়িত সবাই আ.লীগের

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যায় জড়িত সবাই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দাবি করে তাদের বাঁচাতে একটি গ্রুপের তৎপরতা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। গতকাল শনিবার ঢাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, সোনাগাজীর সেই মাদ্রাসা শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন শামীম, যুবলীগ নেতা নুর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহমেদ, আব্দুল কাদের, ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা, সোনাগাজীর পৌর কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকসুদুল হক ও প্রভাষক আবছার উদ্দিনের পক্ষে সাফাই গাইতে শুরু করেছে ওই গ্রুপটি, যারা তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। তারা রাজনৈতিক নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধরনাও দিচ্ছে বলে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। ঘটনায় জড়িত সবাই ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী।

ফেনীকে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের নিরাপদ জনপদ অভিহিত করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ড্রিল মেশিন দিয়ে মানুষকে ছিদ্র করে মেরে ফেলার রেকর্ডও রয়েছে ফেনীতে। খুন, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, ২, ৩ কিংবা ৪ সন্তানের জননীরাও রেহাই পাচ্ছেন না গণধর্ষণ থেকে। আওয়ামী লীগের গডফাদারদের ছত্রছায়ায় চলছে এসব অপকর্ম। তিনি বলেন, নুসরাত হত্যা মামলার তদন্ত তনু ও সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার মতোই হয় কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। শুধু আমরা নই, এই আশঙ্কা করেছে স্বয়ং হাইকোর্টও। তিনি আরও বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগ করার সময় ওসির ভিডিও ধারণ করার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারপর সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াও আইনসিদ্ধ নয়। রিজভী বলেন, ‘সরকার ওসিকে প্রত্যাহার করেই দায় সেরেছে। এখনো তার বিরুদ্ধে আইনগত বা ফৌজদারি আইনে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সরকার। মেয়েটি থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর যদি পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিত তাহলে তাকে পুড়িয়ে মারতে পারত না।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আবদুস সালাম আজাদ, আবদুল আউয়াল খান, মুনির হোসেন প্রমুখ।