সাত গোলের থ্রিলার জিতল আবাহনী|136189|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০
সাত গোলের থ্রিলার জিতল আবাহনী
ক্রীড়া ডেস্ক

সাত গোলের থ্রিলার জিতল আবাহনী

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে অসাধারণ ম্যাচ কাটল গতকাল। ঢাকার দুই জায়ান্ট আবাহনী লিমিটেড ও শেখ জামাল ক্রীড়া চক্রের ম্যাচে হয়েছে ৭ গোল। গোলবন্যার থ্রিলারে শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যাবধানে জিতেছে আবাহনী। রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচটিতে গোল-পাল্টা গোলের লড়াই হয়েছে। শেষদিকে জোড়া গোল করে ম্যাচ জমিয়ে তোলে শেষ জামাল। কিন্তু আবাহনীকে হারাতে ব্যর্থ হয় তারা। ১২ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তাদের চেয়ে ১ ম্যাচ কম খেলা বসুন্ধরা কিংস ১ পয়েন্ট (৩১) বেশি নিয়ে শীর্ষে। ১১ ম্যাচে ১৩ পয়েন্টে থাকা শেখ জামাল অষ্টম অবস্থানে।

এদিকে দিনের অপর ম্যাচে নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে গোলশূন্য ড্র হয়েছে স্বাগতিক বিজেএমসি ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যাচ। এতে অবনমন অঞ্চলে থাকা টিম বিজেএমসি ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপদ আরও বাড়ল। ১১ ম্যাচে ব্রাদার্সের পয়েন্ট ৫, তালিকার সর্বশেষ দল বিজেএমসির পয়েন্ট ৪।

ঢাকায় ম্যাচের প্রথম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে আবাহনী লিমিটেড। কিক অফের পর সানডে চিজোবার ভুল পাস থেকে বল ধরে সলোমন লম্বা করে বাড়ান সাখাওয়াত হোসেন রনিকে। এই ফরোয়ার্ডের ক্রসে গোড়ালির টোকায় লক্ষ্যভেদ করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লুসিয়ানো পেরেস। পিছিয়ে পড়ে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আবাহনী। বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি তাদের। দশম মিনিটে নাবীব নেওয়াজ জীবনের ফ্রি-কিকে আফগানিস্তানের ফরোয়ার্ড মাসিহ সাইঘানি হেডে সমতায় ফেরান আবাহনীকে। ২৭ মিনিটে তাদেরকে গোল উপহার দিয়ে আবার পিছিয়ে পড়ে শেখ জামাল। রায়হান হাসানের লম্বা থ্রো-ইন হেডে বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন ডিফেন্ডার মাঞ্জুর রহমান মানিক।

ম্যাচের ৩৬ মিনিটের সময় ঝড় শুরু হলে খেলা বন্ধ করে দেন রেফারি। এক ঘণ্টা ১৭ মিনিট পর ফের খেলা মাঠে গড়ায়। বিরতির পর ৬৩ মিনিটে আবার গোলের দেখা পায় ম্যাচ। চিজোবার পাস থেকে নিখুঁত শটে নাইমের মাথার ওপর দিয়ে স্কোরলাইন ৩-১ করেন হাইতির ফরোয়ার্ড কেরভেন্স ফিলস বেলফোর্ট। ৭০ মিনিটে এগিয়ে যায় আবাহনী। চিজোবার হেড করে বাড়ানো বল গোলমুখ থেকে অনায়াসে লক্ষ্যভেদ করেন জীবন। লিগে এই ফরোয়ার্ডের অষ্টম গোল এটি। আবাহনীর জয় তখন সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল।

কিন্তু নাটক তখনো বাকি। শেষ দিকের দুই গোলে ম্যাচ জমিয়ে তুলে শেখ জামালের জাকির হোসেন জিকু। ৮০ মিনিটে জামালের সেইনে বোজানের শট আবাহনী গোলরক্ষক ফেরালেও পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটে ব্যবধান কমান জিকু। ৯০ মিনিটে এই মিডফিল্ডার আবারও লক্ষ্যভেদ করে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লিগে আবাহনীর টানা চতুর্থ এবং সব মিলিয়ে দশম জয় আটকাতে পারেনি শেখ জামাল।