মেয়ের ‘ধর্ষক’ ইমামকে পুলিশে দিলেন ভিক্ষুক দম্পতি|143951|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯ ০০:০০
মেয়ের ‘ধর্ষক’ ইমামকে পুলিশে দিলেন ভিক্ষুক দম্পতি
চাঁদপুর প্রতিনিধি

মেয়ের ‘ধর্ষক’ ইমামকে পুলিশে দিলেন ভিক্ষুক দম্পতি

এক ভিক্ষুক দম্পতি বহুদিন পরে মেয়ের ধর্ষককে পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে পুলিশে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার বিকেলে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে। গতকাল সোমবার তাকে চাঁদপুর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি আলমগীর হোসেন রনি জানান, আটক মোজাম্মেল হক (৩০) চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের মুড়াগাঁও এলাকার মোহাম্মদ জাফর আলীর ছেলে। চাঁদপুর সদর উপজেলার দেবপুর জামে মসজিদের পেশমেয়ের ‘ধর্ষক’ ইমাম ছিলেন তিনি। ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।

মেয়েটির মা জানান, বাড়ির পাশের মসজিদে ইমাম ছিল মোজাম্মেল। তার মেয়ে ইংরেজিতে দুর্বল হওয়ায় মোজাম্মেল তাকে ইংরেজি পড়ানোর কথা বলে। পরে মেয়েটিকে পড়ানোর কথা বলে গত ১৭ নভেম্বর হাজীগঞ্জ বাজারের মকিমাবাদ এলাকায় হাজি ম্যানশনের একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। বাড়ি ফিরে মেয়ে তাকে ঘটনাটি জানায়। মান সম্মানের ভয়ে কাউকে কিছু না বলে গোপনে ধর্ষক ইমামকে খুঁজতে থাকেন।

ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ে জানিয়ে ওসি বলেন, রবিবার রাতেই তার মা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মেয়েটির বাবা অন্ধ। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দিনে বিভিন্ন বাজারে তিনি ভিক্ষা করেন। মোজাম্মেলের মোবাইলে ওই ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।

খুলনায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫ : সোনাডাঙ্গা থানার এসআই সুকান্ত দাস জানান, গত রবিবার রাতে খুলনা নগরী সোনাডাঙ্গা থানার আলীর ক্লাব সংলগ্ন দারুল আমান মহল্লায় গৃহকর্মীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মহল্লার সরোয়ার, জুয়েল ওরফে কালু, মনির সরদার, মাসুদ রানা ও জাহিদুল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপর আসামি মিলন পলাতক।

এসআই বলেন, ‘ভুক্তভোগী ওই নারী দারুল আমান মহল্লার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সম্প্রতি তিনি আশপাশের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ শুরু করেন। রবিবার রাতে ওই বখাটেরা জোর করে তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের বাসিন্দারা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় বখাটেরা পালিয়ে যায়। পরে ওই নারীর স্বীকারোক্তি নিয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’