পাহাড় রক্ষায় প্রয়োজন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত|148169|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১২ জুন, ২০১৯ ০০:৪৯
চট্টগ্রামে সভায় বক্তারা
পাহাড় রক্ষায় প্রয়োজন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত
চট্টগ্রাম ব্যুরো

পাহাড় রক্ষায় প্রয়োজন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত

ধস বন্ধে চট্টগ্রামের পাহাড়গুলো রক্ষা করতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কয়েকটি নাগরিক সংগঠনের নেতারা।

১১ জুন ‘জাতীয় পাহাড় রক্ষা দিবস’ ঘোষণার দাবিতে এক যুগ ধরে আন্দোলন করে আসা এসব সংগঠন মঙ্গলবার এ দাবি জানান।

সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সময় পাহাড় ধসে নিহতদের স্মরণে এ সভার আয়োজন করে পরিবেশবাদী সংগঠন পিপলস ভয়েস, কারিতাস চট্টগ্রাম অঞ্চল ও বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস)।

২০০৭ সালের ১১ জুন চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে নিহত ১২৭ জন ও ২০১৭ সালের ১৩ জুন রাঙামাটিতে নিহত ১২০ জনের স্মরণে এ কর্মসূচি।

সভা শেষে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন এবং দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে পিপলস ভয়েসের সভাপতি শরীফ চৌহান বলেন, ‘২০০৭ সালে পাহাড় ধসের মর্মান্তিক প্রাণহানির পর পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি কিছু সুপারিশ দিয়েছিল। তার একটিও বাস্তবায়ন হয়নি। প্রতি বছর ১১ জুন কর্মসূচি পালন করে বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরলেও মানা হয়নি। এরপরও আমরা বলব- রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছাড়া পাহাড় রক্ষা হবে না, প্রাণহানিও বন্ধ হবে না।’

পিপলস ভয়েসের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন কারিতাস চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক জেমস গোমেজ, খেলাঘর মহানগর সভাপতি ডা. এ কিউ এম সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভ্রমণবিষয়ক অনলাইন পোর্টাল ট্রাভেলিং চট্টগ্রামের প্রকাশক কাজী মমতাজুল ইসলাম।

এ কিউ এম সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিবছর আমরা এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলি, কিন্তু যাদের শোনার কথা তারা শোনে না। এভাবে আর চলতে দেওয়া যায় না। যারা মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

ইদ্রিস আলী বলেন, ‘চট্টগ্রামে ২০০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলেই পাহাড় ধসে পড়ে। এটা প্রতি বছরই হয়। কিন্তু সারাবছর ধরে পাহাড়ে বসবাসরতদের প্রাণ রক্ষায় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয় না। শুধু জুন-জুলাই এলেই পাহাড়ে গিয়ে নির্লজ্জ, বেহায়ার মতো বিদ্যুতের লাইন কাটে।’