ঐক্যফ্রন্টে ঐক্য চায় আ.লীগ|148211|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০
সাংবাদিকদের কাদের
ঐক্যফ্রন্টে ঐক্য চায় আ.লীগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

 ঐক্যফ্রন্টে  ঐক্য চায়  আ.লীগ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ঐক্যবদ্ধ থাকুক, এমনটাই চায় তার দল। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলের যৌথ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জোটটি নিয়ে এ কথা বলেন তিনি। সভায় ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদে যোগদান প্রশ্নে টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটে গত সোমবার ঐক্যফ্রন্টের ‘স্টিয়ারিং কমিটি’র বৈঠকে আবদুল কাদের সিদ্দিকীসহ অনেকের ক্ষুব্ধ মনোভাবের কথা প্রকাশ পায়। এর পরের দিন ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে মন্তব্য করলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা প্রকাশ পাচ্ছে। বিষয়টাকে কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের ব্যাপারে আপনারা যে প্রশ্ন করেছেন, ঐক্যফ্রন্টে সমন্বয় নেই, ঐক্য নেই। আমরা সেটা চাই না। ঐক্যফ্রন্ট ঐক্যবদ্ধ হোক, তাদের মধ্যে সমন্বয় হোক, আওয়ামী লীগ তা চায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘শক্তিশালী দায়িত্বশীল বিরোধী দল আমরা চাই। সংসদের ভেতরে এবং বাইরে শুধু দায়িত্বশীল নয়, শক্তিশালী বিরোধী দল আমরা চাই। বিরোধী দল যথাযথ ভূমিকা পালন করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা, শেখ হাসিনা সরকারের প্রত্যাশা, সরকারি দল আওয়ামী লীগের প্রত্যাশা।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বন্দিত্বে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) উদ্বেগ প্রকাশ করায় আওয়ামী লীগ কোনো চাপ অনুভব করছে কি না জানতে চাইলে ওবায়দুল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক কোনো চাপ আমরা অনুভব করছি না। বিচ্ছিন্নভাবে কে, কী বলেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। কিন্তু ডাক্তাররা তো কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করছে না। বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য উদ্বেগের পর্যায়ে আছে, এটা আমাদের জানা নেই। মেডিকেল বোর্ডও এ রকম কোনো তথ্য দিতে পারেনি।’

আওয়ামী লীগের নেতারা প্রতিহিংসামূলক বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপির এমন অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল বলেন, ‘যারে দেখতে নারি, তার চলন বাঁকা। শেখ হাসিনার ভালো কাজ তারা দেখতে পায় না, উন্নয়ন তাদের চোখে পড়ে না। কারণ হচ্ছে তারা ধরে নিয়েছে তাদের রাজনীতি হচ্ছে বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা। বাস্তব অবস্থার কোনো বিচার-বিশ্লেষণ তারা করছে না। আসলে তাদের পাওয়ারের চশমা দরকার। উন্নয়ন দেখার জন্য তাদের এখন পাওয়ারের চশমা দরকার। পাওয়ারের চশমা হলে হয়তো বা দেখতে পাবেন।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়–য়া, কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপি, কামরুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত, সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাইদ খোকন যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন।