তেলের ট্যাংকারে হামলায় ইরানকে ঘিরে ফের উত্তেজনা|148689|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ জুন, ২০১৯ ১৬:০৩
তেলের ট্যাংকারে হামলায় ইরানকে ঘিরে ফের উত্তেজনা
অনলাইন ডেস্ক

তেলের ট্যাংকারে হামলায় ইরানকে ঘিরে ফের উত্তেজনা

ওমান উপসাগরে তেলের ট্যাংকারে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার এ ঘটনার পর মার্কিন সেনা কর্তৃপক্ষ একটি ভিডিও প্রকাশ করে। যাতে দাবি করা হয়, ট্যাংকার থেকে অবিস্ফোরিত মাইন সরিয়ে নিচ্ছে ইরানের বিশেষ বাহিনী।

বিবিসি জানায়, জাপানের ট্যাংকারের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এতে দেখা যায়, জাপানি ট্যাংকারে বিস্ফোরণের পর অবিস্ফোরিত কিছু মাইন পড়ে আছে এবং পরবর্তীতে যা সরিয়ে নেওয়া হয়।

এ দিন নরওয়ের একটি ট্যাংকারেও তিনটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, এ দুই ট্যাংকারে হামলার জন্য ইরানই দায়ী। তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে ইরান।

এ দিকে হামলার খবরের পরপরই তেলের বৈশ্বিক দাম প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে যায়। ব্রেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ওয়েল ব্যারেলপ্রতি বিক্রি হয়েছে ৬১ দশমিক ৭৪ ডলারে। পণ্যটির দাম বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ।

ওমান উপসাগর কৌশলগত হরমুজ প্রণালির অন্য প্রান্তে। নৌবাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এ রুট দিয়ে কমপক্ষে দেড় কোটি ব্যারেল অশোধিত তেল যায়। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের আমদানি করা কোটি কোটি ডলারের অন্যান্য পণ্যও এই নৌপথ দিয়ে যায়।

গত ১২ মে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) উপকূলসংলগ্ন ওমান উপসাগরে রহস্যজনক হামলায় চারটি তেলের ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর দুটি সৌদি আরবের, একটি নরওয়ের ও অপরটি ইউএইর। যুক্তরাষ্ট্রের ভাষ্য, ইরানের নৌমাইন প্রায় নিশ্চিতভাবে এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে।

অন্যদিকে গত সপ্তাহে ইউএই বলেছে, জাতিসংঘে পেশ করা পাঁচ দেশের অনুসন্ধানের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, বোমা হামলার নেপথ্যে কোনো একটি রাষ্ট্র ছিল। তবে দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামলায় ইরানের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ইরান বরাবরই তাদের সম্পৃক্তি নাকচ করেছে। সেই সঙ্গে পালটা অভিযোগ করে, ইরানকে ফাঁসাতে ইসরায়েল এ হামলা চালায়।