যাবজ্জীবনের রায় শুনে চম্পট জোড়া খুনের আসামি|149900|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ জুন, ২০১৯ ০০:০০
যাবজ্জীবনের রায় শুনে চম্পট জোড়া খুনের আসামি
ফরিদপুর প্রতিনিধি

যাবজ্জীবনের রায় শুনে চম্পট জোড়া খুনের আসামি

জোড়া খুনের মামলায় যাবজ্জীবন রায় শোনার পর পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়েছে এক আসামি। গতকাল বুধবার দুপুরে আদালত থেকে জেলহাজতে নেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। ওই আসামির নাম আফসার ফকির (৪৬)। গতকাল দুপুরে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নটাখোলা গ্রামে গঞ্জর খাঁ ও মুসা মোল্লা হত্যা মামলার রায় দেন বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান। এতে ১৩ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ১১ জন আসামি উপস্থিত ছিল।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো মান্নান খান, সুরমান খাঁ, মাজেদ খাঁ, ওয়াজেদ খাঁ, রাশেদ খাঁ, সিদ্দিক ফকির, সোহরব ফকির, আফসার ফকির, ফজলু ফকির, রহমান খাঁ, রেজাউল খাঁ, জিকির খাঁ, ওসমান ফকির। এর মধ্যে সোহরব ও জিকির আগে থেকেই পলাতক রয়েছে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি এফ এম নাছিম জানান, সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামিকে আদালত থেকে জেলহাজতে নেওয়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই শাহ আলমের কাছ থেকে আফসার ফকির নামে এক আসামি পালিয়ে যায়। আসামিদের নেওয়ার সময় স্বজনদের প্রচুর ভিড় ছিল। অসাবধানবশত আফসার ফকির পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, আমরা পালিয়ে যাওয়া আসামিকে ধরতে অভিযান পরিচালনা করছি, আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে ধরতে পারব।

ফরিদপুর বিশেষ জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী বাবু মৃধা জানান, ২০০৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৭টায় জেলার সালথা উপজেলার নটাখোলা গ্রামে পেঁয়াজের দানা তোলাকে কেন্দ্র করে একটি সালিস বৈঠক হয়। ওই সালিস বৈঠক চলাকালে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আসামিপক্ষ গঞ্জর খাঁ ও মুসা মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই দিনই নিহত মুসা মোল্লার ভাই আলাল মোল্লা বাদী হয়ে ২৭ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন সালথা থানায়।

মামলায় দীর্ঘ সাক্ষ্য ও শুনানি শেষে আসামিদের মধ্যে ১৩ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করে আদালত। অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদ- দেওয়া হয়। মামলার বাকি ১৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।