গত ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না ফিঞ্চ-মরগান|154233|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১১ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০
গত ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না ফিঞ্চ-মরগান
ক্রীড়া ডেস্ক

গত ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না ফিঞ্চ-মরগান

ইতিহাসে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড। দুদলের একমাত্র সেমির লড়াইটি ছিল ১৯৭৫ সালের প্রথম বিশ্বকাপে। একই পর্বে পরের লড়াইটি সর্বশেষ মানে চলতি বিশ্বকাপে আজ। সেমিফাইনাল সামনে রেখে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন দুই অধিনায়ক। জানিয়েছেন ম্যাচ নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা। গত লড়াইয়ে জিতলেও আজ ইংল্যান্ডকে সমীহ করছে অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে ইংল্যান্ড রাউন্ড রবিন পর্বের লর্ডস লড়াই নিয়ে ভাবছেই না।

এজবাস্টনে নিজেদের অতীত রেকর্ড বিবেচনা করেই কি না রয়েসয়ে আছেন অ্যারন ফিঞ্চ। তাই এ ম্যাচের ফেভারিট বলছেন স্বাগতিকদের। তবে ইংলিশদের সঙ্গে গত দুই লড়াই থেকে আত্মবিশ্বাস নিচ্ছেন ফিঞ্চ, ‘ইংল্যান্ড এখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে কঠিন হবে। তারা ওয়ানডেতে গত চার বছর ধরে যেভাবে ক্রিকেট খেলেছে, তাতে ওদের হারানো অবশ্যই কঠিন। তবে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে এবং ওয়ার্মআপ ম্যাচে ওদের হারিয়েছে। আশা করি কালও (আজ) তাই হবে।’

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে কখনো হারেনি অস্ট্রেলিয়া। এমন রেকর্ড সামনে থাকায় তা ধরে রাখার চাপে অস্ট্রেলিয়া। পুরো দল এই চাপ নিতে প্রস্তুত বলেও জানালেন ফিঞ্চ, ‘বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল সবসময়ই চাপের ম্যাচ। ছেলেরা সেই চাপ জয় করতে মুখিয়ে আছে। ওয়ার্নার নিজেকে ঢেলে দিয়েছে। তার নিবেদন অনুসরণ করার মতো। যেভাবে বড় ইনিংস খেলে, সেঞ্চুরি করে দলকে টানছে, তা অসাধারণ। আশা করি আজ স্পোর্টিং উইকেট হবে।’

আজকের ভেন্যুতে অস্ট্রেলিয়া যখন বাজে অতীত নিয়ে নামছে তখন ইংল্যান্ডের সঙ্গী সুখকর সাফল্য। গত কয়েক বছরে এ মাঠে তাদের হার নেই। তবে অজিদের সঙ্গে গত দুই ম্যাচে হেরেছে ইয়ন মরগানের দল। ইংলিশ অধিনায়ক অবশ্য ওই হারগুলো নিয়ে ভাবছেন না, ‘লিগ পর্বে লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার অতীত। ওই ম্যাচে অজিদের বাঁহাতি পেসাররা ভুগিয়েছিল আমাদের। এবার সতর্ক থাকব আমরা। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মধ্যে গোপন কিছু নেই। সবাই সবার শক্তিমত্তা-দুর্বলতা জানে। এজবাস্টনের হোম অ্যাডভান্টেজটা আমরা পাব। দর্শক সমর্থনও। তবে এটা জয়ের জন্য যথেষ্ট নয়।’

পুরো দলের জন্যই এই সেমিফাইনাল নতুন অভিজ্ঞতা। এ ম্যাচ জিতে ফাইনালে ওঠার জন্য পুরো দল প্রস্তুত বলে জানান মরগান, ‘সেমিফাইনাল নিয়ে দলের সবাই উত্তেজিত। লিগ পর্বের ম্যাচের চেয়ে এটা ভিন্নরকম ম্যাচ। ২৭ বছর পর ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলছে। সবাই ফাইনালে খেলার জন্য মুখিয়ে আছে। উইকেটে এখন যে রকম ঘাস আছে, এটা থাকলে একজন পেসার বেশি খেলবে। আর ঘাস ছেঁটে ফেলা হলে সেøা অপশনে যাবে।’