রাষ্ট্রপ্রধানের পাশাপাশি কিম হঠাৎ কেন সেনাপ্রধান?|154612|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১২ জুলাই, ২০১৯ ১৬:৪৪
রাষ্ট্রপ্রধানের পাশাপাশি কিম হঠাৎ কেন সেনাপ্রধান?
অনলাইন ডেস্ক

রাষ্ট্রপ্রধানের পাশাপাশি কিম হঠাৎ কেন সেনাপ্রধান?

উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং-উনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান এবং সেনাপ্রধান ঘোষণা করা হয়েছে। এমনিতে তিনি তার দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তার ভেতর দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে তার আসীন হওয়ার কিছু কারণ আছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্স বলছে, নতুন সংবিধানে কিমের এমন পদবি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তির প্রস্তুতি।

আমেরিকার সঙ্গে সেই ১৯৫০-১৯৫৩ সাল থেকে শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে উত্তর কোরিয়ার।

নতুন সংবিধান সে দেশের নেনারা স্টেট পোর্টাল সাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে কিম স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের (এসএসি) চেয়ারম্যান। পরিচালনা পর্ষদের এই শীর্ষ পদটি ২০১৬ সালে সৃষ্টি হয়। যাকে বলা হয়, সমস্ত কোরিয়ানের সর্বোচ্চ প্রতিনিধি, অর্থাৎ রাষ্ট্রের প্রধান এবং সেনাপ্রধান।

আগের সংবিধানে কিম জং-উনকে সাধারণভাবে ‘শীর্ষ নেতা’ বলা হতো।

সিউলের ক্যুংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার ইস্ট ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক কিম ডং-ইয়াপ বলেন, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন কিম। সেই স্বপ্ন তিনি সত্যি করেই ছেড়েছেন।

কিম গত বছর থেকে অর্থনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে আলোচনায় বসেছেন। দক্ষিণ কোরিয়া, চীন এবং রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়ে নিজেকে বিশ্বনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।

এখন সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করার মর্যাদা অর্জন করলেন।