আট মাসে সড়কে নিহত ৩,০৭৫|166069|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২১:৩০
আট মাসে সড়কে নিহত ৩,০৭৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

আট মাসে সড়কে নিহত ৩,০৭৫

চলতি বছরে গত আট মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ হাজার ৭৫ জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি (এনসিপিএসআরআর)। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে ৩৮৪ নারী ও ৪৭৮ শিশু রয়েছে। আর এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫ হাজার ৬৯৭ জন।

শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটি এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক, জাতীয় সড়ক, আন্তজেলা সড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে। এনসিপিএসআরআর নিয়মিত মাসিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এসব পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২টি বাংলা ও ইংরেজি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারিতে ৩৮৩ টি দুর্ঘটনায় ৫৩ জন নারী ও ৭১টি শিশুসহ ৪১১ জন নিহত ও ৭২৫ জন আহত হয়েছেন। ফেব্রুয়ারিতে ৪০১টি দুর্ঘটনায় ৪১৫ জন নিহত এবং ৮৮৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন নারী ও ৬২টি শিশু রয়েছে। মার্চে ৩৮৪টি দুর্ঘটনায় ৪৬ নারী ও ৮২টি শিশুসহ ৩৮৬ জন  নিহত এবং ৮২০ জন আহত হয়েছেন। এপ্রিলে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩২৭টি। এতে ৩৪০ জন নিহত ও ৬১০ জন হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৩৮ জন নারী ও ৫৩টি শিশু রয়েছে। মে মাসে ২৯৭টি দুর্ঘটনায় ৪৭ জন নারী ও ৪৪টি শিশুসহ ৩৩৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫০৪ জন। জুনে ৩৬৭টি দুর্ঘটনায় ৪৯ জন নারী ও ৬৯টি শিশুসহ ৪৩৯ জন নিহত এবং ৮১৮ জন আহত হন।

জুলাই মাসে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩১১টি। এতে নিহত ও আহত হয়েছেন যথাক্রমে ৩৪৮ জন ও ৫১৩ জন। নিহতদের মধ্যে ৪৬ জন নারী ও ৪০টি শিশু রয়েছে। আগস্টে ৩৩৭টি দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটেছে ৩৯৮ জনের; যার মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা যথাক্রমে ৪৭ ও ৫৭। এসব দুর্ঘটনায় ৮২৩ জন আহত হয়েছেন। 

শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ) সভাপতি আশীষ কুমার দে বলেন, তাদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য ১০টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণগুলো হলো- চালকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর প্রবণতা, দৈনিক চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো, লাইসেন্স ছাড়া চালক নিয়োগ, পথচারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব এবং ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে ওভারটেকিং করা।

এছাড়া, বিরতি ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ি চালানো, আনফিট গাড়ি বন্ধে আইনের প্রয়োগ না থাকা, দীর্ঘ পথে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ, সড়ক ও মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও তিন চাকার গাড়ি বৃদ্ধিও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।