মোদিকে বাদ দিয়ে মনমোহনকে আমন্ত্রণ পাকিস্তানের|171273|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:৪৫
মোদিকে বাদ দিয়ে মনমোহনকে আমন্ত্রণ পাকিস্তানের
অনলাইন ডেস্ক

মোদিকে বাদ দিয়ে মনমোহনকে আমন্ত্রণ পাকিস্তানের

কর্তারপুর করিডরের উদ্বোধনে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে পাকিস্তান সরকার। বাদ পড়ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি।

ভারতের সংবাদ প্রতিদিন জানায়, কর্তারপুর করিডরের উদ্বোধন পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক আলোচনার পরই মনমোহনকে তারা বেছে নিয়েছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হবে। দ্রুতই সরকারিভাবে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে।

মনমোহনকে আমন্ত্রণ জানানোর কারণ হিসেবে পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমকে বলছেন, মনমোহন সিং শিখ। ধর্মের প্রতি তার শ্রদ্ধা আছে। তা ছাড়া তিনি পাকিস্তানে অত্যন্ত সম্মানীয়। তাই তাকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছিল- ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই কর্তারপুর করিডরের উদ্বোধন হবে। কিন্তু বর্তমানে ভারত-পাক সম্পর্কের তিক্ততা চরমে। এই পরিস্থিতিতে মোদি-ইমরান এক মঞ্চে উপস্থিত থাকা প্রায় অসম্ভবই।

ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তানের অভ্যন্তরে পড়ে কর্তারপুর। প্রতি বছর ভারত-পাকিস্তান দু’দেশেরই হাজারো শিখ পুণ্যার্থী দরবার সাহিব কর্তারপুরে প্রার্থনা করতে যান। সেখানে গুরু নানক জীবনের শেষ ১৮ বছর কাটিয়েছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। আর সে কারণেই শিখ সম্প্রদায়ের কাছে জায়গাটি অত্যন্ত পবিত্র।

গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে শিখদের যাতায়াত সহজ করতে দু’দেশ সীমান্তে করিডর গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতের পাঞ্জাবের গুরদাসপুর জেলার ডেরা বাবা নানক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যন্ত রাস্তা তৈরি হচ্ছে। আর পাকিস্তানের অংশে করিডর হচ্ছে গুরুদুয়ার দরবার সাহিব কর্তারপুর থেকে। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান ভাগ হয়ে যাওয়ার পর থেকে ভারতীয়দের ওই উপাসনাস্থলে যাওয়ার উপায় সীমিত হয়ে যায়। ভিসা পেতেও তাদের অনেক কষ্ট করতে হতো। এখন নতুন রাস্তা নির্মাণ হয়ে গেলে সারা বছরই পুণ্যার্থীরা খুব সহজে কর্তারপুর যেতে পারবেন।