মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বাংলায় স্টিফেন হকিংয়ের আত্মস্মৃতি

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ০৬:৫৩ পিএম

ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ স্টিফেন হকিংয়ের আত্মস্মৃতি ‘মাই ব্রিফ হিস্ট্রি’ প্রকাশ হয় ২০১৩ সালে। সাড়া জাগানো বইটিতে উঠে আসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী তার লন্ডনের ছেলেবেলার দিনগুলো ও ধীরে ধীরে তার আন্তর্জাতিক সেলিব্রিটি হওয়ার কথা।

বইটির বাংলা ভাষান্তর করেছেন আবুল বাসার। প্রচ্ছদ করেছেন মাসুক হেলাল। প্রকাশ হবে প্রথমা প্রকাশনী থেকে।

‘মাই ব্রিফ হিস্ট্রি’র ভাষান্তর প্রসঙ্গে আবুল বাসার ফেসবুকে লেখেন, “হুইলচেয়ারে নিশ্চল বন্দী থেকেও তিনি অর্জন করেছিলেন আমাদের কালের অন্যতম সেরা পদার্থবিজ্ঞানীর মর্যাদা। তিনিই লিখেছিলেন ‘আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’। বইটি সর্বকালের সর্বোচ্চ বিক্রীত ও জনপ্রিয় বিজ্ঞান বইয়ের তালিকায় ঠাঁই করে নেয়। সেই সাথে ইতিহাসে ঠাঁই পান হকিংও। রাতারাতি তারকায় পরিণত হন। আইনস্টাইনের পর আর কোনো বিজ্ঞানীর কপালে এমন খ্যাতি জোটেনি।

কিন্তু কীভাবে? এই প্রশ্ন কয়েক দশক ধরেই সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। সাধারণের এই তীব্র কৌতূহল মেটাতেই স্টিফেন হকিং ২০১৩ সালে লিখেছিলেন ‘মাই ব্রিফ হিস্ট্রি’ শিরোনামের আত্মজীবনী।”

আবুল বাসার আরও জানান, বইটিতে হকিংয়ের বিজ্ঞানীজীবন ও ব্যক্তিজীবন একাকার হয়ে গেছে।

স্টিফেন হকিং ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন। তাকে সমকালীন তাত্ত্বিক পদার্থবিদদের মধ্যে অন্যতম গণ্য করা হয়। পদার্থবিজ্ঞানে তার কিছু অবদান সর্বত্র স্বীকৃত। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন হকিং। নিজের তত্ত্ব ও বিশ্বতত্ত্ব নিয়ে রচনা করেন বিখ্যাত বই ‘আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’। হকিং মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেকদিন ধরে ভুগেছিলেন। কিন্তু সব প্রতিকূলতা ছাপিয়ে গবেষণা চালিয়ে যান। মারা যান চলতি বছরের ১৪ মার্চ।

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত