শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ভোটে সেনা ২-১০ দিন আগে: ইসি

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ০৩:৪৮ পিএম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দুই থেকে ১০ দিন আগে সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি মোতায়েন হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে ইসি বদ্ধপরিকর।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা প্রথম তফসিল ঘোষণার দিন সেনা মোতায়েন হবে ঘোষণা দিলেও বিচারিক ক্ষমতা থাকবে না বলে জানান।

নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৫০ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। ২০০১ সালের আগে নির্বাচনে সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত কোনো বিধান আরপিওতে ছিল না। তারপরও ১৯৭৩ থেকে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপেও সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার দাবি তুলে ঐক্যফ্রন্ট। ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়, এটা সংবিধান পরিপন্থি, বিশ্বের কোথাও এ রকম নজির নেই।

অনুষ্ঠানে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ইসি সচিব বলেন, আপনাদের দায়িত্ব অনেক। কেউ দায়িত্ব অবহেলা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার মাহাবুব তালুকদার বলেন, সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য। নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু না হলে গণতন্ত্র প্রশ্নবিব্ধ হয়। এবার সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুখ দেখাতে পারব না।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে। যারা ভোটকেন্দ্র দখল করবে তাদের আইনানুগভাবে প্রতিহত করতে হবে।

২৩ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ রেখে গত ৮ নভেম্বর প্রথম তফসিল ঘোষণার পর বিএনপিপ্রধান ঐক্যফ্রন্ট তা এক মাস পেছানোর দাবি জানায়। এরপর ১২ নভেম্বর ইসি ভোটের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর রেখে নতুন তফসিল দেয়। তবে তা মেনে নেয়নি ঐক্যফ্রন্ট। গত বুধবার ইসির সঙ্গে বৈঠকে পুনঃতফসিলের আবেদন জানালে ইসি তা বিবেচনার আশ্বাস দেয় বলে দাবি করেছেন তারা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত