মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

তোষাখানার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ০৬:০৪ পিএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে এবং দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিজয় সরণিতে বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরের পাশে নবনির্মিত তোষাখানার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন তিনি। বাসস।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা আমাদের কেবল স্বাধীনতা দিয়ে যাননি তিনি আমাদের মর্যাদাও দিয়ে গেছেন। এই মর্যাদাকে আমাদের সমুন্নত রাখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করব এবং ওই সময়ের মধ্যে দেশকে আমরা ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করে গড়ে তুলব। আর ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ।

বিজয় সরণিতে রাষ্ট্রীয় তোষাখানার ৫ তলার অত্যাধুনিক ভবনটির আয়তন ৫০ হাজার বর্গফুট। ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই তোষাখানায় দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রি পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং কর্মকর্তাগণ যে সব রাষ্ট্রীয় উপহার পাবেন তা সংরক্ষণ করা হবে।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো.নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, সেনাবাহিনী প্রকৌশল বিভাগের প্রধান মেজর জেনারেল সিদ্দিকুর রহমান সরকার অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, কূটনৈতিক মিশনের সদস্য, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধান এবং উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রি পরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

রাষ্ট্রীয় পদাধিকারীগণের দেশ-বিদেশ থেকে প্রাপ্ত উপহার সামগ্রী সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ উপহার সামগ্রী দেশের সম্পত্তি এবং দেশের সন্মান ও মর্যাদার প্রতীক।

শেখ হাসিনা বলেন, অতীতে তার নামে এবং নৌকার প্রতীক সম্বলিত অনেক উপহার, বিভিন্ন দুর্লভ আলোকচিত্র বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময়ে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পরপরই দেশ পুনর্গঠনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রীয় উপহার সামগ্রী সংরক্ষণের জন্য তোষাখানা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতার নির্দেশে ‘তোষাখানা আইন ১৯৭৪’ (রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা) প্রণীত এবং বঙ্গভবনে এই তোষাখানা স্থাপন করা হয়।

পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় রাষ্ট্রীয় উপহার সামগ্রী সর্বসাধারণের প্রদর্শনীর জন্য উন্মুক্ত করে এই তোষাখানা ভবন নির্মাণ করা হয়।

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত