রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

চা-কফির কত কাজ

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০১৯, ০৪:০৫ এএম

চা বা কফির জাদুকরী স্বাদ নিমেষেই চাঙ্গা করে দিতে পারে শরীর আর মন। শীতে চা-কফি পানের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। চা বা কফি শরীরের জন্য ভালো না মন্দ- এ নিয়ে বিতর্ক আছে। ভালো-খারাপ যাই থাক না কেন, আজ জানব এর ভালো গুণ

কফির ভালো গুণ কোলন ক্যানসার কফিতে যে ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, সেটা কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। তা ছাড়া আমাদের ত্বক ও মস্তিষ্কের জন্যও দরকার। ডায়াবেটিস ডায়াবেটিস দুই ধরনের। টাইপ ওয়ান আর টাইপ টু। প্রাপ্তবয়স্কদের যে ডায়াবেটিস হয়, সেটা টাইপ টু। কফি পানে টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। এ ছাড়া কফিতে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৫ ও পটাসিয়াম। সতজে থাকতে এক মগ কফি আপনাকে চাঙ্গা করার জন্য যথেষ্ট। যদি ঘুম বা ক্লান্ত বোধ করেন, তাহলে গাঢ় এক কাপ কফি পান করতে পারেন। এতে শরীরে ক্যাফেইনের পরিমাণ বেড়ে যাবে এবং আপনাকে তিন থেকে চার ঘণ্টা জেগে থাকতে সাহায্য করবে।

পাকস্থলী সুস্থ রাখবে নিয়মিত কফি পানে লিভার ভালো থাকবে। লিভার সিরোসিসের মতো সমস্যা হবে না। তাই কফি পান করলে এ সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে। বিষণ্ণতা দূর হবে বিষণ্ণ লাগছে? তবে কফি আপনার জন্য আদর্শ। কফির চনমনে ঘ্রাণ বিষণ্ণতা কাটিয়ে দেয়। এক মগ কফি পান, সঙ্গে গান শুনুন কিংবা বাগান বা ছাদে হাঁটুন। আর হ্যাঁ কফিটা সময় নিয়ে আস্তে আস্তে পান করুন। চায়ের ভালো গুণ ক্যানসার প্রতিরোধ করে চায়ে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপার্টিজসহ এমন কিছু উপাদান, যা লাং, প্রস্টেট, কলোরেকটাল, ব্লাডার, ওরাল এবং ওভারিয়ান ক্যানসারকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ঠান্ডাজনিত অসুস্থতার প্রকোপ থেকে বাঁচতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে চা। এ ছাড়া চায়ে টেনিস

নামে উপাদান থাকায় নানা ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে। শরীর সুস্থ থাকে। ওজন হ্রাস করে নিয়মিত গ্রিন-টি পান করলে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার সুযোগই থাকে না। তাই ওজন কমাতে গ্রিন-টি খেতে পারেন। স্ট্রোকের আশঙ্কা কমায় হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে লাল চায়ের কোনো বিকল্প নেই। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপার্টিজ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমিয়ে দেয়। স্ট্রোকের আশঙ্কা কমাতেও লাল চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাড়ের ক্ষয়রোধ করে দুধ চায়ে উপস্থিত ফাইটোকেমিক্যালস হাড়কে শক্ত করে। ফলে আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। স্ট্রেস কমায় লাল চায়ে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা স্ট্রেস কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে মনকে সতেজ রাখে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত