সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

দক্ষিণ আফ্রিকার টানা সপ্তম

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০১:২৪ এএম

আরও একটি অসহায় আত্মসমর্পণ পাকিস্তানের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে তারা। জয়ের জন্য স্বাগতিকদের মাত্র ৪১ রানের টার্গেট দিয়েছিল পাকিস্তান। ম্যাচের চতুর্থ দিন সকালে ৪৮ মিনিটে মাত্র ৯.৫ ওভারেই ১ উইকেটে ৪৩ রান তুলে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সুবাদে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিল স্বাগতিকরা। ঘরের মাঠে এটি তাদের টানা সপ্তম টেস্ট সিরিজ জয়। আর সর্বশেষ ২১ টেস্টের ১৪টিতেই হার জুটল পাকিস্তানের।

তৃতীয় দিনেই ম্যাচ জিততে পারত দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ইনিংসে তাদের লিড ছিল ২৫৪ রানের। যার পেছনে ছুটে এক সময় ইনিংস হারের শঙ্কায় ছিল পাকিস্তান। কিন্তু

তৃতীয় দিন শেষ বিকেলে ইনিংস হারের ভয় উড়িয়ে দেন দলের লোয়ার অর্ডাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে আসাদ শফিকের ৮৮ ও বাবর আজমের ৭২ রানের সঙ্গে শেষ দুই ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আব্বাস অপরাজিত ১০ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি ১৪ রান করেন। মূলত ১০ ও ১১ নাম্বার ব্যাটসম্যান

পাকিস্তানকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচান। তবে তাদের লড়াই টেস্ট হার দূর করেনি। ৪টি করে উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে বেশিদূর যেতে দেননি ডেল স্টেইন ও কাগিসো রাবাদা। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯৪ রানে অল আউট হয় পাকিস্তান। তাই মাত্র ৪১ রানের জয়ের লক্ষ্য পায় প্রোটিয়ারা। যা চতুর্থ দিন সকালে ডিন এলগারের অপরাজিত ২৪ রানে পার করে স্বাগতিকরা।

আরও একটি সিরিজ নিশ্চিতের পর এই ফরম্যাটের প্রতি ভালো লাগার কথা জানান ফ্যাফ ডু প্লেসিস। আক্রমণাত্মক মানসিকতা টেস্টকে আরও উপভোগ্য করেছে বলে মনে করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। টেস্টে এই মানসিকতা টি-টোয়েন্টি থেকে এসেছে বলে মত তার, ‘এই মুহূর্তে খুব বেশি টেস্ট ম্যাচ পাঁচ দিনে যাচ্ছে না। খেলার গতি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। যা টেস্টকে আরও উপভোগ্য করে তুলেছে। এটা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। আমি নিশ্চিত সমর্থকরাও এটা খুব ভালোবাসে। কারণ এখন টেস্টেও খুব চার-ছক্কা আসছে। তাই এই ফরম্যাটটা এখন আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত