রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ঘুষের অভিযোগ প্রমাণের পরও বহাল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৫৪ এএম

প্রায় তিন বছর আগে শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিনিময়ে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ টি এম জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালে এর সত্যতাও পায় জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। এরপরও কোনো শাস্তি হয়নি জিল্লুরের। এখনো একই পদে বহাল রয়েছেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৫ সালে। ওই বছরের ৩ জুলাই আক্কেলপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জিল্লুর রহমানের উপস্থিতিতে বিভিন্ন পদে পাঁচজন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল। শিক্ষক নিয়োগের পর তিনি অনলাইনে এমপিওভুক্তির জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মোমিনের কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন জিল্লুর।

পরে জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন আবদুল মোমিন। ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঘুষের অভিযোগের সত্যতা পায় জেলা প্রশাসকের তদন্ত কমিটি। একই বছর ১৬ অক্টোবর জেলা প্রশাসক বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর চিঠি পাঠায়। কিন্তু এরপর এ বিষয়ে আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি অল্প কিছুদিন হলো এখানে এসেছি। তৎকালীন জেলা প্রশাসক যদি তদন্ত প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়ে থাকে, তাহলে শিক্ষা অধিদপ্তর এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে। তারপরও পুরনো ফাইল দেখে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’ এদিকে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের তদন্ত কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন ছিল মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত