রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

প্রতিবাদের প্রজাপতি

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:২৫ পিএম

দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর জাপানের আগ্রাসন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় ১৯৪৫ সালে। যুক্তরাষ্ট্র এবং তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সৈন্যরা কোরীয় উপদ্বীপের দখল নিলে জাপান এই যুদ্ধ শেষ করতে বাধ্য হয়। আগ্রাসনের ওই সময় জাপানের সৈন্যরা জোরপূর্বক তিন লাখ ৬০ হাজার থেকে চার লাখ ১০ হাজার নারীকে যৌনদাসি বা ‘কমফোর্ট ওম্যান’ হিসেবে ব্যবহার করে। এদের মধ্যে কোরিয়া, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, তৎকালীন বার্মা এবং থাইল্যান্ডের নারীরাই ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ। যৌন দাসত্বের সেই তিক্ততাকে স্মরণ করে গতকাল শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে হলুদ প্রজাপতি হাতে জাপানের দূতাবাসের সামনে শোকর‌্যালি করে কয়েক হাজার দক্ষিণ কোরীয়। এ সময় ‘কিম বক দুং’ নামের এক দক্ষিণ কোরীয় নারীর নাম উল্লেখ করা হয়। ওই নারীকে কমফোর্ট ওম্যান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। দক্ষিণ কোরিয়ার শোকার্ত জনগণের দাবি, জাপানকে তাদের কৃতকর্মের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। যদিও এ নিয়ে জাপানের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তৎকালীন জাপানের রাজপরিবারের জারি করা ডিক্রির আওতায় ওই নারীদের যৌনদাসি হিসেবে রাখা হয়েছিল। এমনকি যুদ্ধ শেষের পরেও ভালো চাকরি এবং উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা দিয়ে অনেক কোরীয় নারীকে জাপানে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ওই নারীদের আশ্রয় হয় কোনো এক কমফোর্ট ওম্যান হাউসে। সূত্র : এএফপি

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত