রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

৫ টনের বেশি নিষেধ, চলে ৪০ টন

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:২৯ পিএম

যেখানে পাঁচ টন ভারী যান চলাচল নিষেধ, সেখানে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলছে ২০ থেকে ৪০ টন ভারী যানবাহন। ঝুঁকিপূর্ণ এ অবস্থা মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের আলমপুর সেতুর। সড়ক বিভাগ সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিলেও তা মানছেন না কেউ। যেকোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আছেন এলাকাবাসী।

ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় গ্রামবাসী সোলায়মান হোসেন (৩৮) জানান, সেতুর কাছেই তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর ওপর ভারী যান উঠলে এখন মাটি কেঁপে ওঠে। অথচ সাইনবোর্ড দিয়েই দায় সেরেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এ কারণে নিষেধাজ্ঞা মানছেন না কেউ।

আবদুল মোতালিব (৬৪) জানান, ১৯৬৪ সালে নির্মিত হয় সেতুটি। ক্রমেই দুর্বল হওয়ায় ৫৪ বছরের পুরনো সেতুটি কিছুদিন আগে পাথরবোঝাই একাধিক ভারী ট্রাকের ভার সহ্য করতে না পেরে ট্রাকসহ দেবে যায় এবং ফাটল ধরে সেতুর বিভিন্ন অংশে। কিছুদিন বন্ধের পর সওজ জোড়াতালি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজটিকে আবার সক্রিয় করে। তখন যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ৫০০ ফুট দীর্ঘ ও ২৪ ফুট চওড়া এই ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর ওপর একটি ছোট বেইলি ব্রিজ বসানো হয়। তাই ভারী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আছে। তারপরও সেতুর ওপর দিয়ে চলছে পাথর, রড, সিমেন্ট ও সবজিবোঝাই ২০ থেকে ৪০ টনের ভারী ১০ চাকার মালবাহী ট্রাক। এ কারণে যেকোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ ব্যাপারে মেহেরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার জানান, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য দুই কোটি টাকার বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই ব্রিজের নির্মাণকাজ হবে। ছয় মাস আগে বহু পুরনো সেতুটি দেবে গেলে সেতুতে ফাটল দেখা দেয়। তখন বড় সেতুর ওপর একটি বেইলি ব্রিজ করে হালকা যান চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত