রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

চিকিৎসক সংকটে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:৩৪ পিএম

চিকিৎসক ও জনবল সংকটে আছে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল। এ কারণে রোগীদের পর্যাপ্ত সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগীদের যেতে হচ্ছে হাসপাতালের বাইরে। অনেক সময় জেলার বাইরেও যেতে হয়। পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্সরের মতো পরীক্ষাগুলোও করতে হয় বাইরে ক্লিনিকে। সংকট নিরসনে প্রয়োজন চিকিৎসক ও লোকবল বাড়ানো।

বর্তমানে একশ শয্যাবিশিষ্ট খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল চলছে পঞ্চাশ শয্যার জন্য মঞ্জুরিকৃত জনবল দিয়ে। সদর হাসপাতালে চিকিৎসক ২১ জন হওয়ার কথা থাকলেও রয়েছে ১২ জন। ফলে রোগীদের সেবা দিতে বেগ পেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

জেলার বিভিন্ন উপজেলার দুর্গম এলাকার দরিদ্র মানুষের একটু উন্নত চিকিৎসার একমাত্র জায়গা খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল। কিন্তু রোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসক সংকট এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যন্ত্রপাতি চালানোর দক্ষ জনবলের অভাবে ছোটখাটো পরীক্ষার জন্য জেলার বাইরে এমনকি চট্টগ্রামে রোগী পাঠানো হয় বা বিভিন্ন পরীক্ষা করতে যেতে হয়। যা নিম্ন আয়ের রোগীদের পক্ষে অনেক সময় সম্ভব হয় না। অনেক রোগী অভিযোগ করেন, হাসপাতাল থেকে ওষুধ দেওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ওষুধই বাইরে থেকে কিনতে হয়। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তারদের সেবায় সন্তুষ্ট রোগীরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালটির বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নেন দৈনিক সাড়ে চারশ থেকে পাঁচশ রোগী এবং দিনে অভ্যন্তরীণভাবে ভর্তি হন ৮০ থেকে ১০০ জন রোগী। এসব রোগীর সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষের।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খাগড়াছড়ি সদরের পেরাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত বরন চাকমা বলেন, খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসার মান অনেক ভালো। ডাক্তাররাও খুব আন্তরিক। তবে চিকিৎকের সংকট আছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এ হাসপাতালে পদায়নের দাবি জানান তিনি। খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক নয়নময় ত্রিপুরা বলেন, এত কম জনবল দিয়ে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়।

খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহ আলম ডাক্তার ও জনবল সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, আশা করি পার্বত্য এলাকা হিসেবে বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত