মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

গুইদোর খুঁটির জোর জনগণ নয়, বাইরে

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:২৪ পিএম

ভেনেজুয়েলার মানুষের কাছে ২৩ জুনের চেয়ে প্রতীকী দিন বেশি নেই। ১৯৫৮ সালের ঠিক এ দিনটিতেই দেশটির জনগণ বিক্ষোভে ফুঁসে ওঠে স্বৈরশাসক মার্কোস পেরেস জিমেনেসকে উৎখাত করেছিল। কাজেই ভেনেজুয়েলার মাদুরো বিরোধীরা তাদের সাম্প্রতিক আন্দোলন শুরু করার জন্য ২৩ জানুয়ারি দিনটি বেছে নেওয়ায় বিস্ময়ের কিছু ছিল না। তুলনামূলকভাবে অপরিচিত বিরোধী নেতা হুয়ান গুইদো নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। বিরোধীদের বার্তাটা ছিল পরিষ্কার: নিকোলাস মাদুরো একজন স্বৈরশাসক এবং জনগণ অনেক সহ্য করেছে। কিন্তু এগুলো নিছকই রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর। মাদুরো স্বৈরশাসক নন। আর ভেনেজুয়েলার বর্তমান বিরোধীদেরও প্রকৃত অর্থে জনগণের কণ্ঠস্বর বলা যাবে না গুইদোকে তা বলা যাবে আরও কম। সত্যি বলতে, সপ্তাহ দুয়েক আগে পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার মানুষের ২০ শতাংশেরও কম হুয়ান গুইদোর নামও শুনেছে। তিনি বিরোধী দল নিয়ন্ত্রিত জাতীয় পরিষদের প্রধান হয়েছেন নিছক ঘটনাচক্রে। অব্যাহত অন্তর্কোন্দল থামাতে দেশটির ছিন্নভিন্ন বিরোধীরা নেতৃত্বে পালা করে পরিবর্তন আনতে একমত হয়েছিলেন। জাতীয় পরিষদের ১৬৭টির মধ্যে মাত্র ১৪টি আসন থাকলেও এবার ছিল গুইদোর দল ‘পপুলার উইল’-এর পালা।

প্রধান বিরোধী দলের বয়কট করা নির্বাচনে জেতার পর সদ্যই দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য অভিষেক হয়েছিল মাদুরোর। বিরোধীরা এখন ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে গলা ফাটাচ্ছে। কিন্তু এরা হচ্ছে সেই বিরোধীপক্ষ যারা কিনা প্রায় দুই দশক ধরে নির্বাচন বয়কট, অভ্যুত্থান আর রক্তাক্ত সহিংসতার তাণ্ডব চালিয়ে আসছে। একটা বিষয় পরিষ্কার থাকা দরকার গুইদোর নিজেকে নেতা ঘোষণার বিষয়টি আরেকটি অভ্যুত্থান চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়। এর যে কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই তা বোঝার জন্য আইনজ্ঞ হতে হয় না। বিরোধীরা সংবিধানের ২৩৩ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলছে, মাদুরো প্রেসিডেন্ট পদ পরিত্যাগ করেছেন। কিন্তু এটা সুস্পষ্ট যে, তিনি তা করেননি।

ভেনেজুয়েলায় সরকার উৎখাতের অতীতের তৎপরতাগুলোর চেয়ে এবারেরটির তফাৎ এই যে, এবার আন্তর্জাতিক মহলের অনেকের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের ভিডিও বিবৃতির মাধ্যমে একে সমর্থন জানিয়েছে। কয়েকটি দেশ দ্রুতই তার সঙ্গে সুর মেলায়। এছাড়া বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলে, অবিলম্বে নতুন নির্বাচনের ঘোষণা না দিলে তারা গুইদোকে সমর্থন জানাবে।

প্রশ্ন হচ্ছে, গণতন্ত্রের নামে বিশ্বনেতারা কীভাবে অভ্যুত্থানে সমর্থন জানাতে পারেন? আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি অংশ যেভাবে তড়িঘড়ি করে গুইদোকে স্বীকৃতি দিয়েছে তাতে গণতন্ত্রের প্রতি সমর্থনের নীতি নয়, বরং বৈশ্বিক ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসই প্রতিফলিত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু এক বহুমেরুভিত্তিক বিশ্বের উত্থানের (ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বের প্রতি রুশ ও চীনা সমর্থন যার প্রমাণ) বিষয়টি নেই, আছে লাতিন আমেরিকাজুড়ে বয়ে যাওয়া ডানপন্থি হাওয়ার ঝাপটা। শাসক বদলের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনে বিস্ময়ের কিছু নেই। কিন্তু নিকারাগুয়ার কন্ট্রা ও মধ্য আমেরিকার অন্য যুদ্ধাপরাধীদের অপকর্মের সঙ্গে নাম জড়িয়ে থাকা এলিয়ট অ্যাব্রামসকে ভেনেজুয়েলার বিশেষ দূত নিয়োগ করা অনেকের কাছেই বাড়াবাড়ি মনে হয়েছে।

এরকম বন্ধু থাকলে নির্বাচনের কি আদৌ দরকার আছে? ভেনেজুয়েলা বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতাদের সঙ্গে রিপাবলিকান নেতাদের তফাৎ খুঁজে পাওয়া সাধারণত কঠিন। ২০২০ সালের নির্বাচনে ফ্লোরিডার ভোটারদের কথা মাথায় রেখে ন্যান্সি পেলোসিসহ বেশিরভাগ নেতাই খোলামেলাভাবেই অভ্যুত্থান চেষ্টার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে নতুন ডেমোক্রেটিক নেতাদের তরফ থেকে আশার একটা ক্ষীণ আলো দেখা যাচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিনিধি রো খান্না গুইদোর প্রতি মার্কিন সমর্থন প্রত্যাখ্যান করে দেশটির প্রতি আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। মিনেসোটার প্রতিনিধি ইলহান ওমর টুইট করে বলেছেন, ‘ভেনেজুয়েলা এখন যেসব গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট কোনো অভ্যুত্থান তার সমাধান নয়। একটি কট্টর ডানপন্থি বিরোধী দলকে ক্ষমতায় বসানোর ব্যাপারে ট্রাম্পের তৎপরতা কেবল সহিংসতাকেই উসকে দেবে আর অঞ্চলটিকে করে তুলবে আরও অস্থিতিশীল।’ অনলবর্ষী প্রগতিশীল নেতা আলেক্সান্দ্রা ওকাসিও-কর্টেস অবশ্য কেবল খান্নার কথা রিটুইট করেই ক্ষান্ত থেকেছেন। আর বার্নি স্যান্ডার্স যা লিখেছেন, তাতে মার্কিন হস্তক্ষেপের চেয়ে মাদুরোর নিন্দাতেই শব্দ ব্যয় করা হয়েছে বেশি।

অন্যদিকে ইউরোপ তাদের স্বভাবমতোই ‘কম খারাপের’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেÑ সাম্রাজ্যবাদীই, তবে ঠোঁটের কোণে ঝোলানো হাসি। অভ্যুত্থানটিকে সরাসরি সমর্থন না করলেও ইউরোপের কয়েকটি দেশ ঘোষণা দেয়, মাদুরো আটদিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আহ্বান না করলে তারা সে পথেই হাঁটবে। একজন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে নতুন নির্বাচনের জন্য ব্ল্যাকমেইল করাই যথেষ্ট গা-জোয়ারি কাজ। কিন্তু চরমপত্রটি কে দিচ্ছে তা বিবেচনা করলে ব্যাপারটি হবে রীতিমতো পীড়াদায়ক। যুক্তরাজ্যের রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ওই ইউরোপীয় নেতাদের একজন। কিন্তু তিনি এক অজনপ্রিয় সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যারা কি না টেনেটুনে অনাস্থা ভোটের বৈতরণী পার হয়েছে সম্প্রতি। আর চিলির স্বৈরশাসক অগাস্তো পিনোচেটের প্রতি থেরেসা মে’র দলের সাবেক নেতা মার্গারেট থ্যাচারের মাখোমাখো সমর্থনও নিশ্চয়ই ভুলে যাওয়ার নয়! স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও ক্ষমতায় এসেছেন আরেক অনাস্থা ভোটের মধ্য দিয়ে। তার দেশ নিজেদের ফ্যাসিস্ট উত্তরাধিকারের ভার বয়ে চলেছে। ওই রাজনৈতিক সংস্কৃৃতির উত্তরাধিকারী, ডানপন্থি পপুলার পার্টি শাভেজের বিরুদ্ধে ২০০২ সালের অভ্যুত্থানে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

তারপর ধরুন ফ্রান্সের বেকায়দায় পড়া প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কথা। তার পক্ষে জরিপের জনসমর্থন মাদুরোর চেয়েও কম। সুতরাং তার উচিত হবে অন্যের দিকে নজর দেওয়ার আগে নিজের ঘর সামলানো। ম্যাক্রোঁ ততক্ষণই বিক্ষোভের পক্ষে যতক্ষণ না তা নিজের দেশে হয়। হলুদ ভেস্ট বিক্ষোভ দমনের সময় হাজারো লোক আহত ও গ্রেপ্তার আর আটজন নিহত হওয়ার বিষয়টি মনে হয় এরই মধ্যে বিস্মৃত হয়েছেন তিনি।

তার পর বলতে হয় লাতিন আমেরিকার কথা। সেখানে ডানপন্থি সরকারগুলোর নতুন জোয়ার গুইদোকে ঝটিতি লুফে নেয়। গণতন্ত্রের প্রতি সমর্থন থেকে তারা তা করেনি। করেছে কারণ, শাভেজবাদ উৎখাত করতে পারলে তা হবে ওই অঞ্চলের ক্ষমতা ধীরে ধীরে আবার কুক্ষিগত করার প্রচেষ্টায় এক বিরাট সাফল্য। তড়িঘড়ি করে গুইদোকে আঞ্চলিক স্বীকৃতি দেওয়ার কাজটি করতে যারা সহায়তা করেছে সেই তথাকথিত ‘লিমা গ্রুপ’ গড়ে ওঠে মাত্রই দেড় বছর আগে। ভেনেজুয়েলার প্রতি বৈরী আচরণ করা তথা লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থি রাজনীতি এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে জন্ম হয় এর। এর মধ্যে প্যারাগুয়ে ও ব্রাজিলে কুশলী অভ্যুত্থান এবং আর্জেন্টিনা, চিলি, কলাম্বিয়া ও অন্য কয়েকটি দেশে নির্বাচনের মাধ্যমে বামপন্থি ‘গোলাপি জোয়ার’-এর অবস্থা নাজুক হয়ে পড়ে তা চলে গেছে আন্তর্জাতিক পুঁজির পকেটে। নামের তালিকার দিকে তাকালে আর কিছু মুখ ফুটে বলে দিতে হয় না। কলাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভান দুকে মার্কেজ হচ্ছেন আলভারো উরিবের খাস পছন্দের লোক যিনি কিনা লাতিন আমেরিকান উগ্র ডানপন্থিদের গডফাদার। মাদক পাচারকারী ও ডেথ স্কোয়াডের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ ছিল উরিবের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, আজ ভেনেজুয়েলার অস্থিতিশীলতা থেকে বাঁচতে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে যারা তাদের অনেকেই কলাম্বিয়ারই দীর্ঘ রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে রক্ষা পেতে পালিয়ে এসেছিল।

পেরুর প্রেসিডেন্ট মার্টিন ভিসকারা এমনকি নির্বাচিতও নন। ভিসকারা ক্ষমতায় আসেন দুর্নীতির অভিযোগে তার পূর্বসূরি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন বলে।

ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রের এই স্বনিয়োজিত অভিভাবকদের মাথার ওপরে রয়েছেন বর্ণবাদী ও নারীবিদ্বেষী হিসেবে পরিচিত জাইর বোলসোনারো যিনি প্রকাশ্যে ব্রাজিলের সামরিক স্বৈরশাসনের (১৯৬৪-১৯৮৫) প্রশংসা করেন। কাজেই এদের ভ-ামির মাত্রা কহতব্য নয়। লিমা গ্র“পের রাজনৈতিক মতলববাজির সবচেয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণ হচ্ছে গত ডিসেম্বরে আন্দ্রেস মানুয়েল লোপেস অব্রাদরের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মেক্সিকোর এই জোট ত্যাগ। এ অঞ্চলের ডানপন্থি ঝোঁক নাকচ করে প্রেসিডেন্ট অব্রাদর এই ‘ওয়াশিংটন মতৈক্যের’ নতুন মোড়লিপনাও প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভেনেজুয়েলার সংকটের একটি সমাধান বের করতে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি। ভেনেজুয়েলায় আগামীতে কী ঘটতে যাচ্ছে তা খুব একটা স্পষ্ট নয়। নতুন নির্বাচনে গুইদোর আগ্রহ কম। এ পর্যন্ত যা দেখা গেছে, তাতে মনে হয় আন্তর্জাতিক সমর্থন নিয়ে একটি সমান্তরাল সরকার গঠনের দিকেই তার মনোযোগ বেশি।

সার্বিক হিসাব নিকাশে তেলের ভূমিকার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রমাণ সিনেটর মার্কো রুবিও টুইট করে বলেছেন, মার্কিন তেলশিল্পের চাকরির স্বার্থে এ অভ্যুত্থান সফল হওয়া উচিত। অন্যদিকে গুইদো ভেনেজুয়েলার মালিকানাধীন (তবে দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রে!) তেল কোম্পানি সিটগো-র জন্য সমান্তরাল বোর্ড গঠনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অভ্যুত্থান চেষ্টার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের জবাবে মাদুরো যৌক্তিকভাবেই কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। তবে ট্রাম্প প্রথমে দূতাবাস থেকে কর্মীদের প্রত্যাহারে নারাজ ছিলেন। ভেনেজুয়েলার সরকার রাষ্ট্রদূতকে গ্রেপ্তার ও বহিষ্কার করার পূর্ণ অধিকার রাখলেও মাদুরো সে টোপটি গেলেননি। তিনি বরং পরিস্থিতির উত্তাপ কমিয়ে আনতেই কাজ করেন। কারণ, আরও প্রত্যক্ষ কোনো হস্তক্ষেপ হালাল করতে বিপজ্জনক ওই পরিস্থিতিকে ব্যবহার করা হতে পারত। ভেনেজুয়েলা উত্তেজনা হ্রাসের জন্য রাজনৈতিক সংলাপের প্রস্তাব করে আসছে যা একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। নিছক সংলাপের মাধ্যমে অবশ্য অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা কাটবে না। তবে কঠোর নিষেধাজ্ঞা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে একটি বড় ইতিবাচক পদক্ষেপ।

বিশ্ব রাজনীতিতে পাল্টাপাল্টির এই ডামাডোলে হারিয়ে গেছে ভেনেজুয়েলার দরিদ্র মানুষের কথাটি। অথচ সবারই দাবি, তারা ওই আমজনতার হয়েই কথা বলছে। গভীর অর্থনৈতিক সংকট, বিরোধীদের অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা আর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মূল ধাক্কা সইছে ওই গরিবরাই। সমাজের এই শ্রেণিই ১৯৮৯ সালের সংকট ও নব্য উদারপন্থী সংস্কারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল আর এক দশক পরে ক্ষমতায় এনেছিল হুগো শাভেজকে।  বোধগম্য কারণে অনেকেই গত দুই দশকের রাজনৈতিক অর্জনকে ছুড়ে ফেলতে রাজি নয়। আর ভেনেজুয়েলার সমাজের এই শ্রেণির ওপরই নির্ভর করছে দেশটির ভবিষ্যৎ ডানপন্থি, সাম্রাজ্যবাদীদের অভ্যুত্থানের ওপর নয়।

লেখক
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেমিসফেরিক ইনস্টিটিউট অব পারফরম্যান্স অ্যান্ড পলিটিকস-এর শিক্ষক আলজাজিরা থেকে অনূদিত

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত