শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বেড়েরধন নদীতে ভাটায় আটকা পড়ে নৌযান

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:৪৪ পিএম

একসময়ের খরস্রোতা বেড়েরধন নদীতে পটুয়াখালী থেকে বরগুনা ও পিরোজপুরে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চের সাইরেনের শব্দে ঘুম ভাঙত স্থানীয়দের। ঝালকাঠি ও খুলনা থেকে পণ্যবোঝাই বড় বড় ট্রলার চলাচল করত। এ নদীর পানি ছিল কৃষকদের জমিতে চাষের ভরসা। নদীতীরবর্তী বসতির পরিবারগুলো তাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করত এ নদীর পানি। সেই নদী এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে।

২০০৩ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে এবং বেসরকারি সংস্থা ডানিডার কারিগরি সহায়তায় নদীটি খনন করা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নদীরক্ষায় আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

১২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে নদীটি বর্তমানে সংকুচিত হয়ে ৮-১০ ফুট প্রস্থের সরু খালে পরিণত হয়েছে। এখন লঞ্চ, ট্রলার কোনো কিছুই চলাচল করছে না। জোয়ারে দু-একটি ট্রলার নদীতে প্রবেশ করলেও ভাটার সময় আটকা পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সোহাগ হাওলাদার বলেন, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে নদীটি পুনঃখননসহ আমতলার খাল, কাবিল আকন খাল, চন্দ্রকান্দা খাল, বকশীর খাল ও লেমুয়ার খালের বাঁধ কেটে সøুইসগেট নির্মাণ করা দরকার।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী দেশ রূপান্তরকে বলেন, নদীটি পুনঃখননের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল জাকী দেশ রূপান্তরকে জানান, বেড়েরধন নদীটি বর্তমানে খাল নামে পরিচিত। পুনঃখনন করা হলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহের মাধ্যমে মৃতপ্রায় নদীটি প্রাণ ফিরে পাবে। পাশাপাশি নদীপারের জেলেদের আয়ের উৎসও হবে। 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত