সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

রিজার্ভ চুরি

তথ্য ‘জানা আছে’ গভর্নরের

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৩:৩৯ এএম

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থের বড় একটি অংশ ফিলিপাইনের কোথায় আছে, সে বিষয়ে তথ্য জানা আছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে যে মামলা হয়েছে, তাতে ওই ঘটনায় জড়িত ও সুবিধাভোগীদেরই আসামি করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গতকাল শনিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) মিলানায়তনে আয়োজিত এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান ফজলে কবির। তিনি বলেন, ‘এসব ডলার ফিলিপাইনের কোথায় আছে আমাদের জানা আছে। ফিলিপাইনের বিভিন্ন জায়গায় আছে। সেগুলোতে তাদের সবাইকে রেসপনডেন্ট (বিবাদী) করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন,

            পৃষ্ঠা ২ কলাম ২ >

 

‘যারা এর সাথে জড়িত ছিল এবং যারা সুবিধাভোগী হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে ফজলে কবির বলেন, ‘ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক আমাদের সঙ্গে এগ্রিমেন্ট করেছে, মামলার প্রথম থেকে শুরু করে প্রতিটা ডলার উদ্ধার পর্যন্ত তারা আমাদের সঙ্গেই থাকবে।’

কতদিনের মধ্যে এ মামলার  সুরাহা হতে পারে এমন প্রশ্নে ফজলে কবির বলেন, ‘এখন বলতে পারছি না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হতে পারে। তবে নিউ ইয়র্ক কোর্ট, যেখানে এ মামলা করা হয়েছে, এখানে সাধারণত জলদি হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফিলিপাইনে অনেক  বিলম্ব হতো। ওখানে অনেক দীর্ঘসূত্রতা আছে। নিউ ইয়র্কে অনেক সুবিধা। আমরা আশা করছি খুব বেশি সময় লাগবে না।’

বাংলাদেশের মামলাকে ভিত্তিহীন বলে আরসিবিসি কর্র্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, ‘আরসিবিসি এটি বললেও বুঝতে হবে যে, আরসিবিসির ওখানে সমস্ত টাকা গিয়েছিল। অর্থাৎ ৮১ মিলিয়ন ডলার আরসিবিসিতেই গিয়েছিল এবং সেটি চারটা ভুয়া অ্যাকাউন্টেই গিয়েছিল, যে অ্যাকাউন্টগুলো বৈধ নয়।’ তিনি বলেন, ‘এ কাজের জন্য আরসিবিসিকে ওই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের রেকর্ড সর্বোচ্চ পানিশমেন্ট (সাজা) দিয়েছে। তাদের সাজা দিয়েছিল এক বিলিয়ন (১০০ কোটি) পেসো, অর্থাৎ ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটা সঠিক ছিল না, এটা লন্ডার্ড মানি (পাচার হওয়া অর্থ) ছিল। কাজেই আরসিবিসি এটা বললেই তো হয় না।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত