রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

একাদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশন

‘পাটের হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে তৎপর সরকার’

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:৪৫ এএম

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেছেন, বিজেএমসির অধীন পাটের মিলগুলোকে লাভজনক করতে সরকার সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। এর জন্য গত ১০ বছরে বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ পাটের উৎপাদন বাড়ানো, উৎপাদিত পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা গ্রহণ, পাটচাষিদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে পাট কেনা, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং পাটপণ্য ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পাদিত সমঝোতা স্বাক্ষর চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন করা।

গতকাল সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে চট্টগ্রাম-৪ আসনের সাংসদ দিদারুল আলমের লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ২০০৯-১৮ সময়ে মোট পাঁচটি বন্ধ মিল চালু করা হয়েছে। মিলগুলো হচ্ছেÑ পিপলস জুট মিলস লিমিটেড (বর্তমানে খালিশপুর জুট মিলস), কওমি জুট মিলস লিমিটেড (বর্তমানে জাতীয় জুট মিলস), দৌলতপুর জুট মিলস লিমিটেড, কর্ণফুলী জুট মিলস লিমিটেড ও ফোরাত কর্ণফুলী কার্পেট ফ্যাক্টরি। এ মিলগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য জনবলের দক্ষতা বৃদ্ধি ও মান উন্নয়নে খুলনা, চট্টগ্রাম এবং ঢাকায় তিনটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর আওতায় কম্পিউটারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ১৬ হাজার ৯০০ জনকে। এ ছাড়া সরকারের সহায়তায় বিএমআরইকরণ, স্পেশালাইজড জুট টেক্সটাইল মিল স্থাপন, বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনসহ মোট ৬টি এবং পিপিপি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ২টি প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়া বিজেএমসির নিজস্ব অর্থায়নে ১০টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা স্বল্পমেয়াদে বাস্তবায়ন হবে। রাজশাহী-৩ আসনের এমপি মো. অয়েন উদ্দিনের অনুরূপ আরেকটি প্রশ্নের জবাবে গাজী বলেন, বর্তমানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের বিজেএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন সরকারি পাটকলের সংখ্যা ৩০টি। এর মধ্যে ২৯টি চালু আছে। এ ছাড়া বেসরকারি পাটকলের সংখ্যা ২৮১টি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত