মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

পদ ৫৮ শূন্য ৩৮

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:৪৩ এএম

দীর্ঘদিন কর্মকর্তা ও কর্মচারী সংকটে ব্যাহত হচ্ছে খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের সার্বিক কার্যক্রম। অধিদপ্তরের ৫৮ পদের ৩৮ খালি থাকায় কর্মকর্তারা সবকিছু তদারকি করতে পারছেন না। এ সুযোগে নগরে গড়ে উঠছে অসংখ্য অবৈধ কলকারখানা।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পদটি শূন্য। উপপরিচালকের চার পদের তিনটি শূন্য। সহকারী পরিচালকের ছয় পদে আছেন দুজন। হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার একটি পদ, তিনি আছেন প্রেষণে সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ে কর্মরত। পরিদর্শকের সাত পদে ছয়টি শূন্য, ছোট কেমিস্ট তিন পদের বিপরীতে আছেন একজন, সহকারী বায়োকেমিস্ট্রি দুজনের মধ্যে একটি পদ শূন্য, জ্যেষ্ঠ টেকনিশিয়ানের পদটি শূন্য, ড্রাফটস ম্যানের পদটিও শূন্য। উচ্চমান সহকারী একটি পদ, তিনি যশোর জেলা কার্যালয়ে প্রেষণে রয়েছেন। অফিস সহকারী দুটি পদ শূন্য, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর তিন পদের একটি শূন্য, অন্য একজন কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ে প্রেষণে রয়েছেন। ক্যাশিয়ারের একটি পদ আছে, তিনি বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ে প্রেষণে রয়েছেন। স্টোরকিপার পদটি শূন্য। নমুনা সংগ্রহকারী চার পদের একজন সাতক্ষীরা ও একজন বরিশাল কার্যালয়ে প্রেষণে কর্মরত আছেন। প্রসেস সার্ভারের পদটি শূন্য। ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট দুজনের মধ্যে একটি শূন্য, অফিস সহায়ক তিনটি পদই শূন্য, অফিস সহায়ক (আউটসোর্সিং) দুটি পদের বিপরীতে আছেন একজন। নিরাপত্তাকর্মী দুটি পদে একজন আছেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদটি শূন্য। সাঁটলিপিকার পদটিতে একজন আছেন। গাড়িচালক দুজন আছেন। পরিচালক পদে ও জ্যেষ্ঠ কেমিস্টের দুই পদে লোক রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী জানান, ‘এখনে যে জনবল রয়েছে, তা দিয়ে জেলার সংকুলান হয় না। এ কারণে মহানগরসহ ৯ উপজেলায় পরিবেশবিরোধী অনেক কাজ হলেও তা আমরা দেখভাল করতে পারি না। অথচ দায় বর্তায় আমাদের ঘাড়ে।’

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ছয়জনের স্থানে আছি মাত্র দুজন। মহানগরসহ তেরখাদা, রূপসা ও দিঘলিয়া আমার দায়িত্বে। এত বড় জায়গা আমার একার পক্ষে দেখা খুবই কষ্টকর। ফলে অনেক অবৈধ কলকারখানা গড়ে উঠছে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত