শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

দুদককে সামলাতে প্রস্তুত সালাউদ্দিন

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:৫১ এএম

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বাফুফের দুর্নীতি ও অনিয়ম খতিয়ে দেখতে দুদকের উপপরিচালক মো. নাসিরউদ্দিনকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কাজী সালাউদ্দিন ছাড়াও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার ৩০ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত চিঠি পেয়েছেন বাফুফের কার্যনির্বাহী সদস্য ও মহিলা কমিটির চেয়ারপারসন মাহফুজা আক্তার কিরণ এবং বাফুফের প্রধান হিসাব কর্মকর্তা মো. আবু হোসেন। অভিযুক্তদের ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ নিয়ে গতকাল দেশ রূপান্তরের কথা হয়েছে বাফুফে সভাপতির সঙ্গে। সালাউদ্দিন এ বিষয়ে বলেন, ‘দুদকের চিঠি পেয়েছি। দুদক যা যা চেয়েছে সেগুলো আমার অফিস নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দিয়ে দেবে। এটা কেন তারা দিয়েছে এ ব্যাপারে এখনই কিছু বলতে চাই না।’ তিনি আরও বলেন, ‘অতীতেও এরকম চিঠি এসেছে আমার কাছে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের ভিত্তি পাওয়া যায়নি।’ ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো সভাপতি পদে নির্বাচিত হন কাজী সালাউদ্দিন। এরপর ২০১২ ও ’১৪ সালেও স্বপদে বহাল থাকেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার। তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। অভিযোগ আছে, অনিয়ম ঢাকতেই বাফুফে গত ১০ বছরে মাত্র একবার বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন করেছে। এছাড়া ফিফার অনুদান, বিভিন্ন সময় স্পন্সরের অর্থ ভিন্ন খাতে ব্যবহার করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। মাহফুজা আক্তার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন চিঠি পেয়ে। দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, ‘আমিও চিঠি পেয়েছি। কিন্তু আমার তো সাইনিং অথরিটি নেই। আমার বিরুদ্ধে কেন চিঠি আসবে?’ তিনি সবকিছু তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন, ‘বাফুফের আর্থিক বিষয়গুলো মূলত দেখভালের দায়িত্ব সিনিয়র সহসভাপতির (সালাম মুর্শেদী)। প্রেসিডেন্ট নিজেও কোনো সাইন করেন না। নির্বাচনকে সামনে রেখে এসব কিছুই আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আমি সময়মতো দুদক যা যা চেয়েছে দিয়ে দেব।’

জানা গেছে, তাদের জমাকৃত তথ্যের ভিত্তিতে দুদক তদন্ত করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত