রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

শুভেচ্ছাদূত মাশরাফী

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:০৮ পিএম

রূপায়ণ গ্রুপের মেগা প্রকল্প রূপায়ণ সিটি উত্তরার শুভেচ্ছাদূত হলেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। গতকাল বৃহস্পতিবার আগামী তিন বছরের জন্য উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর-সংলগ্ন এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হলেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক। ১৪০ বিঘার ওপর তৈরি হচ্ছে ঢাকার প্রথম প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি ‘রূপায়ণ সিটি উত্তরা’।

নগরায়ণের আধুনিক ব্যবস্থায় সবচেয়ে সম্প্রসারণশীল এই গেটেড কমিউনিটি। এ ব্যবস্থায় কোনো নির্দিষ্ট আবাসন প্রকল্পে বসবাসকারীদের জন্য উন্মুক্ত পরিবেশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, পার্ক, খেলার মাঠ, বিপণিবিতান, তারকাসম্পন্ন হোটেল ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাসহ বিনোদনের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। শুভেচ্ছাদূত-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে প্রকল্পটি ঘুরে দেখেন মাশরাফী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্টের ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলি খান রাতুল, ম্যানেজিং ডিরেক্টর পি জে উল্লাহ, হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড প্ল্যানিং তাজিভ আলি।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে মাশরাফী বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই শুভেচ্ছাদূত হওয়ার ব্যাপারে রূপায়ণ সিটি উত্তরার সঙ্গে কথা হচ্ছিল। কিন্তু খেলা ও অন্যান্য ব্যস্ততার কারণে চুক্তি করা হয়ে উঠছিল না। অবশেষে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছি। আগামী তিন বছরের জন্য রূপায়ণের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে আছি। দেশের শীর্ষ একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান আমাকে তাদের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বেছে নিয়েছে, এটা আমার জন্য সত্যিই বড় পাওয়া। এই প্রকল্পের ব্যাপারে আমি আগেও শুনেছি, আজ দেখলাম। বেশ ভালো লেগেছে।’

পুরো প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে জানিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক বলেন, ‘আগামী চার বছরের মধ্যে প্রকল্পের সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে পারবে বলে প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে। কাজের অগ্রগতি দেখে আমিও এ ব্যাপারে আশাবাদী। ভবিষ্যতের জন্য তাদের শুভকামনা জানাই। আর প্রজেক্টটি বেশ বড় ও সুন্দর। এখানে যারাই আসবেন অনেক আনন্দ পাবেন। আধুনিক সুযোগ-সুবিধার সব কিছুই উপভোগ করবেন।’

রূপায়ণ সিটি উত্তরার ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল অনুষ্ঠান শেষে বলেন, ‘আমাদের প্রকল্পে আধুনিক নাগরিক সুবিধার সবকিছুই আছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের, বিশেষ করে শিশুদের শারীরিক বিকাশের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্ট এরিয়াতে খেলার মাঠের ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া সাত কিলোমিটারের মতো হাঁটার সুবিধাসহ পার্ক থাকবে। এ ছাড়া একটি প্রকল্পে আরও যেসব সুযোগ-সুবিধা থাকা উচিত সব থাকছে এই প্রকল্পে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত