শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মুখের স্কোয়ামাস সেল ক্যানসার

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:২৮ এএম

স্কোয়ামাস সেল ক্যানসার বা কারসিনোমা হলো স্কোয়ামাস সেল নামক এপিথেলিয়াল কোষের ক্যানসার। ৯০ ভাগ মুখের ক্যানসারই হলো স্কোয়ামাস সেল ক্যানসার। প্রথমে ঠোঁট ও মুখগহ্বরে স্কোয়ামাস সেল ক্যানসার শুরু হয়। এরপর কোষের গভীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে এর বিস্তৃতি। মুখের ক্যানসার তখনই দেখা দেয় যখন কোষের ডিএনএর মধ্যে ঠোঁটের অথবা মুখের কোষের পরিবর্তন হয়। এ পরিবর্তন বা মিউটেশন ক্যানসার কোষ জন্মায় এবং বিভাজিত হতে সাহায্য করে। এর ফলে স্বাস্থ্যবান কোষগুলো মারা যায়। ক্যানসার কোষগুলো জমা হয়ে একটি টিউমার গঠন তৈরি হয়।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্যানসার সেল বা কোষ মুখের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া মাথা ও ঘাড় ছাড়াও শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে চিকিৎসা গ্রহণ না করলে।

স্কোয়ামাস সেল ক্যানসারের কারণ

তামাক জাতীয় পদার্থ সেবন

মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ দীর্ঘসময় সূর্যালোকে থাকলে

হিউম্যান প্যাপিওলোমা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হলে

পুরুষদের ঝুঁকি বেশি থাকে।

ক্যানসারের স্থান

চিবুকের অভ্যন্তরে বাক্কাল মিউকোসার ক্যানসার

মুখের ফ্লোরের ক্যানসার

মাড়ির ক্যানসার

ঠোঁটের ক্যানসার

হার্ড প্যালেট ক্যানসার

লালাগ্রন্থির ক্যানসার

জিহ্বার ক্যানসার।

সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ঠোঁট ও জিহ্বার পাশে। সাধারণত ফোলাভাব অথবা আলসার হিসেবে দেখা যায়, যা দেখতে সাদা, লাল, মিশ্র সাদা বা লাল। তিন সপ্তাহের বেশি এ ধরনের অবস্থা বিরাজ করলে গুরুত্ব দিতে হবে।

রোগ নির্ণয়

স্কোয়ামাস সেল ক্যানসারের রোগ নির্ণয় করা হয় বায়োপসির মাধ্যমে।

চিকিৎসা

স্কোয়ামাস সেল ক্যানসারের চিকিৎসা সার্জারি, রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপির মাধ্যমে করা হয়। কখন কোনটি করা হবে নির্ভর করে রোগীর অবস্থা এবং টিউমারের অবস্থান ও গতিপ্রকৃতির ওপর। প্রাথমিক অবস্থায় ক্যানসার ধরা পড়লে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

মেইল :[email protected]

ডা. মো. ফারুক হোসেন

মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ

ইমপ্রেস ওরাল কেয়ার,

মিরপুর-ঢাকা

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত