সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

দেরিতে হলেও সম্মান পেয়ে ভীষণ ভালো লাগছে

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫০ এএম

এ বছর শিল্পকলা ও অভিনয় বিভাগে একুশে পদক পাচ্ছেন ষড়ৈশ্বর্য লাকী ইনাম। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একুশে পদক তুলে দেবেন। লাকী ইনামের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পাভেল রহমান। ছবি : নূর

একুশে পদক পাওয়ার অনুভূতি কী?

কাজ করেছি মনের আনন্দে। তবে অবচেতন মনে জানতাম, কাজের জন্য একদিন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান পাব। দেরিতে হলেও সেটা পেয়ে ভীষণ ভালো লাগছে। ১৯৭২ সালে মঞ্চনাটকে কাজ শুরু করি। নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের প্রযোজনা ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নাটকের মাধ্যমে প্রথম মঞ্চে অভিনয় করি। সেই থেকে এখনো অবধি মঞ্চনাটক থেকে বিচ্যুত হয়নি। এই কাজের মূল্যায় করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। পাশাপাশি সবার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই।

পদকপ্রাপ্তি কি অনুপ্রেরণা জোগায়?

অবশ্যই। এ ধরনের রাষ্ট্রীয় সম্মান যে কারোর জীবনে অনেক বড় অর্জন। আমাকেও আমাকে ঋদ্ধ করেছে। কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।  দীর্ঘদিন কাজ করে যাওয়ার স্বীকৃতি এই পদক। আমার আগামী দিনের কাজের ক্ষেত্রে এই সম্মান নিশ্চয় প্রেরণা জোগাবে।

আপনাকে ‘ষড়ৈশ্বর্য লাকী ইনাম’ বলা হয় কেন?

২০১২ সালে থিয়েটারের বন্ধুরা আমার থিয়েটার জীবনের ৪০ বছর এবং ব্যক্তিজীবনের ৬০ বছর উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেখানেই এই উপাধিটা দেওয়া হয়। তারা মনে করে, আমার মধ্যে ছয়টি বিশেষ গুণ রয়েছে। যেহেতু আমি অভিনেত্রী, নাট্যকার, নির্দেশক, শিক্ষক, নৃত্যশিল্পী ও সংগঠক। যার জন্য তারা আমার ছয়টি গুণকে ঐশ^র্য হিসেবে বলছে, ষড়ৈশ্বর্য লাকী ইনাম।

আগামী দিনের পরিকল্পনা?

নাটক নিয়ে সারা দেশে যেতে চাই। জেলা শহরে ভালো মিলনায়তন নেই, তবুও নানা সংকটের মধ্যে সেখানে নাট্যচর্চা অব্যাহত রয়েছে। নাট্যচর্চাকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে আমাদের কাজ করতে হবে। সামনের দিনগুলোতে বিভিন্ন জেলায় গিয়ে আমি নাটকের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতে চাই।

বইমেলায় আপনার নতুন বই আসছে?

কয়েকদিনের মধ্যেই বইমেলায় আমার দুটি নাটকের প্রকাশ হবে। আর শেষের দিকে আমার লেখা ছয়টি নাটক নিয়ে একটি নাট্য সংকলন প্রকাশ হবে। বইগুলো মেলায় আসার পরই বিস্তারিত জানাব।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত