বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

অস্থায়ী ছাউনিতে অনুপ্রবেশকারীরা

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৪:০২ এএম

মিয়ানমারের চিন রাজ্য দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় অস্থায়ী ছাউনিতেই রয়েছে তারা। গতকাল শুক্রবারও তাদের বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের চাইংক্ষ্যংপাড়ার কাছে অবস্থান করতে দেখা গেছে। স্থানীয়রা তাদের খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করছে।

চাইংক্ষ্যংপাড়ার বাসিন্দারা জানান, সেখানে এখনো শীতের তীব্রতা রয়েছে। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ১৬০ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী লোকজন শীতের মধ্যেই খোলা আকাশের নিচে ও প্লাস্টিকের অস্থায়ী ছাউনিতে থাকছেন। এদের মধ্যে শিশু-বৃদ্ধ ছাড়াও প্রসূতি নারী আছেন। গত বৃহস্পতিবার এক রাখাইন নারী সন্তান প্রসব করেছেন। কমপক্ষে আরও দুজন সন্তানসম্ভবা।

জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি সিদ্ধান্ত এলেই মিয়ানমারের নাগরিকদের পুশব্যাক করা হবে। মানবিক কারণে স্থানীয়দের কাছ থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।’ রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিরা বম বলেন, ‘মিয়ানমারের নাগরিকরা কতদিন এখানে অবস্থান করবে সে ব্যাপারে আমরা কিছু জানি না।’

স্থানীয় কৃষক থোয়াইগ্য মারমা জানান, মিয়ানমারের লোকদের মধ্যে কেউ কেউ পাড়ায় এসে ওষুধপত্র চাইছে। তাদেরকে যে যা পারছে ওষুধপত্র ও খাবার দিয়ে সহায়তা করছে।

প্রসঙ্গ, মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ‘আরাকান আর্মি’র সংঘর্ষের জেরে আতঙ্কিত হয়ে দেশ ছাড়তে শুরু করে চিন রাজ্যের লোকজন। গত রবিবার থেকে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়। এ ঘটনার পর অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত বন্ধ করে দেয় বিজিবি।

এদিকে দুই দফায় রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার হয়ে কক্সবাজারে আশ্রয়শিবিরে রয়েছে সাড়ে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত