শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

‘গণি মিয়াদের’ ঋণ ৭২৮৭ কোটি টাকা

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৪৭ পিএম

পাঠ্যপুস্তকে ‘গণি মিয়া’ হিসেবে উঠে আসা দেশের বর্গাচাষিরা গত পাঁচ বছরে ব্যাংক থেকে ঋণ পেয়েছেন সাত হাজার ২৮৭ কোটি টাকা। এর বাইরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাকের মাধ্যমে আরও ৬০০ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছেন তারা। 

অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অর্থবছর চার লাখ পাঁচ হাজার বর্গাচাষিকে এক হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে ব্যাংকগুলো। ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে পৌনে চার লাখ বর্গাচাষিকে দেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল এক হাজার ১৬৫ কোটি টাকা।‘গণি মিয়া একজন গরিব চাষি। তার নিজের কোনো জমি নেই। সে অন্যের জমি চাষাবাদ করে সংসার চালায়’ মাধ্যমিক স্তরের ইংরেজি ব্যাকরণ বইয়ে থাকা গণি মিয়াদের মতো বাস্তবেও ভূমিহীন অনেক কৃষক অন্যের জমি চাষ করেন।চাষাবাদ শেষে পাওয়া ফসল নির্দিষ্ট হারে জমির মালিকের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন নেন তারা।যেহেতু তাদের নিজের কোনো জমি নেই, তাই ২০০৯ সালের আগে জমির দলিল বন্ধক রাখতে না পারায়কৃষিঋণও নিতে পারতেন না বর্গাচাষিরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে দুই লাখ ৫৬ হাজার বর্গাচাষি পান ৯১৪ কোটি টাকা। পরের অর্থবছরে তিন লাখ ৬৩ হাজার বর্গাচাষি এক হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা ঋণ নেন।

২০১৬-২০১৭ অর্থবছর ঋণগ্রহীতা বর্গাচাষির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় চার লাখ ৯ হাজার। তাদের নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৮৪৭ কোটি টাকা। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক বর্গাচাষিদের ঋণ দেওয়ার জন্য ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করে। পরে তা ৬০০ কোটিতে উন্নীত হয়। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাকের মাধ্যমে এ ঋণ বর্গাচাষিদের মাঝে বিতরণ করা হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে ব্র্যাক এক লাখ ৭০ হাজার ৪৬০ জন বর্গাচাষিকে ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত