বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বসুন্ধরা কিংসের টানা চার

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:১২ এএম

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে জয়রথ ছুটে চলছে বসুন্ধরা কিংসের। গতকাল মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে হারিয়ে টানা চার জয় তুলে নিয়েছে নবাগত দলটি। অ্যাওয়ে ম্যাচে দলটির এবারের জয় ৩-১ ব্যবধানের। টানা চার জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে বসুন্ধরা। পাঁচ ম্যাচে তৃতীয় হারে মুক্তিযোদ্ধার পয়েন্ট ৬। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে দিনের অন্য ম্যাচে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটির সঙ্গে ড্র করেছে নোফেল স্পোর্টিং ক্লাব। ২-২ গোলে ড্র করে লিগে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট অর্জন করেছে নবাগত নোফেল। পাঁচ ম্যাচে তিন ড্র’য়ে ৩ পয়েন্ট রহমতগঞ্জের।গতকালকের ম্যাচের আগে টানা তিন জয় পেয়েছিল বসুন্ধরা কিংস। তিনটি জয়ের দুটি ছিল নিজেদের মাঠে। নিজেদের হোম ভেন্যু নীলফামারীতে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী ও নোফেল স্পোর্টিংকে হারিয়েছিল বসুন্ধরা। আর বাকি জয়টি বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে শেখ জামালের বিপক্ষে। তিন ম্যাচের দুটিতে বড় দুই দলকে হারিয়ে নিজেদের শক্তির প্রমাণ রাখে কিংস। কিন্তু মৌসুমে প্রথমবারের মতো অপরিচিত ভেন্যুতে নেমেছিল তারা। মুক্তিযোদ্ধার হোম ভেন্যু গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে। অপরিচিত মাঠে স্বাগতিকদের বিপক্ষে টানা তিন ম্যাচ জেতা কিংসের জন্য ম্যাচটি ছিল পরীক্ষার। কিন্তু এই পরীক্ষাতেও ভালো ভাবে উতরে গেল বসুন্ধরা। আরো একবার নিজেদের দাপট দেখিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাকে উড়িয়ে দেওয়া ম্যাচে। এর আগে ঘরের মাঠে একটি ম্যাচই খেলেছিল মুক্তিযোদ্ধা। সে ম্যাচে শেখ জামালকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে দলটি। কিন্তু নিজ মাঠে দ্বিতীয় ম্যাচে ফর্মে থাকা বসুন্ধরার সঙ্গে পেরে উঠল না তারা।

খেলার প্রথমার্ধের ৯ মিনিটে সুশান্ত ত্রিপুরা গোল করে দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন। ৬ মিনিট পরেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় বসুন্ধরা কিংস। কিন্তু ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মার্কোস ভিনিসিয়াস মুক্তিযোদ্ধার গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। ১৭ মিনিটে বসুন্ধরা কিংসের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো মুক্তিযোদ্ধার বাল্লো ফামুসাকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। পেনাল্টি থেকে গোল পরিশোধ করেন দলটির জাপানি ফুটবলার ইউসুকে কাতো (১-১)। ৩১ মিনিটে ফামুসার শট বসুন্ধরা কিংসের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসার পর গোলরক্ষক জিকো কর্নারের বিনিময়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন। ৪০ মিনিটে বসুন্ধরার ভিনিসিয়াস পেনাল্টি মিস না করলে তখনই ২-১ এ এগিয়ে যেতে পারত সফরকারীরা। প্রথমার্ধের ব্যর্থতা বিরতির পর ৭০ মিনিটে কাটিয়েছেন ভিনিসিয়াস। তার পাসেই মতিন মিয়া গোল করে বসুন্ধরাকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। মাত্র চার মিনিট পর মুক্তিযোদ্ধার ডি বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় বসুন্ধরা। তা থেকে দারুণ শটে গোল করে দলকে ৩-১ ব্যবধানের জয় এনে দেন কলিনদ্রেস।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৫ মিনিটে সতীর্থের কর্নার থেকে মানডে ওসাজি হেড করার পর গোলমুখ থেকে সহজেই রহমতগঞ্জকে এগিয়ে নেন কঙ্গোর ফরোয়ার্ড সিও জুনাপিও। ৭ মিনিট পর ফয়সাল আহমেদের ফ্রি কিকে নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার মানডের হেড দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ালে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও লিড ধরে রাখতে পারেনি রহমতগঞ্জ। দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আগের তিন ম্যাচে টানা হেরে আসা নোফেল। ৫০ মিনিটে ইসমাইল বাঙ্গুরার বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে দলকে ম্যাচে ফেরান মোহাম্মদ রোমান। ৬০ মিনিটে সফল স্পট কিকে সমতা ফেরান গিনির ফরোয়ার্ড বাঙ্গুরা। বাকিটা সময় দুই দল ব্যাবধানে বাড়াতে না পারায় ড্রতেই খেলা শেষ হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত