রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

চট্টগ্রামে অমর একুশে বইমেলা শুরু

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:৫৯ পিএম

চট্টগ্রামে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন হয়েছে। গতকাল রবিবার তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ১৮ দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী সন্তানের হাতে স্মার্টফোনের বদলে বই তুলে দিতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘একটা সময় বই পড়াটা ছিল নেশা। আজ বইয়ের স্থান দখল করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। প্রযুক্তির সুযোগ-সুবিধাকে অস্বীকার করা যাবে না। কিন্তু এর নেতিবাচক দিকগুলো সম্পর্কেও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম চত্বরে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাঙালিরা মেধাবী। ইউরোপের বাইরে প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গাছের প্রাণ আছে, এটি প্রথম প্রমাণ করেছেন বাংলার সন্তান আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু। অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন আরেক বাঙালি অমর্ত্য সেন। বাংলা সাহিত্য পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধ সাহিত্য।’ তিনি বলেন, ‘বই শুধুমাত্র সুকুমারবৃত্তিকেই জাগ্রত করে না, নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে যুগ যুগ ধরে। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।’

সভাপতির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘সাহিত্যপ্রেমী মানুষের মিলনমেলা ঘটে বইমেলায়, যার কারণে বইমেলা মানুষের মনে বাড়তি আবেদন সৃষ্টি করে। সম্মিলিত উদ্যোগে একটি বইমেলার আয়োজন চট্টগ্রামবাসীর বহুদিনের প্রত্যাশা। সে প্রত্যাশা থেকেই চট্টগ্রামের নাগরিক সমাজ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে এই বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।’

মেলায় ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ১১০টি স্টল অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার ৫৫টি প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে। জাতীয় জীবনে যেসব ব্যক্তি কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের একুশে স্মারক সম্মাননা পদক ও সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হবে এ মেলায়। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলাঙ্গন দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত